রবিবার ০৯ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৫শে শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৪ সফর ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নেই, বন্ধ তিন বিভাগের সেবা নাচোলে ঈদগাহ ও গোরস্থানের উন্নতি কল্পে আলোচনা সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে সারের জন্য ভোর থেকেই কৃষকের লাইন শিবগঞ্জে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় এমপি কেরামত আলীর শিবগঞ্জ বিজিবি’র অভিযানে জব্দ নেশাজাতীয় সিরাপ, গ্রেপ্তার একজন চাঁপাইনবাবগঞ্জে শ্বাসকষ্ট নিয়ে আরো ৩ শিশু হাসপাতালে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ৫৫ রোগী চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহভাজন ১ জন শনাক্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে আরো ৬ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা, মহানন্দা ও পুনভর্বার নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত
Printed on: August 09, 2026
June 19, 2026
ভোলাহাট
ভোলাহাট

২০ দিনে রেশম চাষ করে লাখ টাকা আয়ের স্বপ্ন সমরুদ্দিনের

Published: June 19, 2026 at 02:34 PM
২০ দিনে রেশম চাষ করে লাখ টাকা আয়ের স্বপ্ন সমরুদ্দিনের

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার চরধরমপুর গ্রামের মৃত আলতাব হোসেনের ছেলে রেশম চাষি মো. সমরুদ্দিন| বয়স ষাটের বেশি| পূর্ব পুরুষের হাত ধরে সেই ছোট বেলা থেকেই রেশম চাষের সঙ্গে জড়িত| দীর্ঘদিন মন্দা আর নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে নবউদ্যমে চলছে তাঁর রেশম চাষ| ফলনের উত্থান পতন থাকলেও এবার আশার আলো দেখছেন তিনি| 

সমিরুদ্দিনের সংসারে ৮ জনের বসবাস| ইতোমধ্যেই মেয়েদের রেশম চাষ শিখিয়ে বিয়ে দিয়েছেন| এখন সংসারে রয়েছেন ৫ জন| নিজেকে স্বাবলম্বী করতে হাল না ছাড়া সমরুদ্দিন বছরে রেশমের চারটি ক্রোপেই (বন্দ) রেশম পালন করেন| এবারো জ্যৈষ্ঠ ক্রোপে তিনি ৫শ থেকে ৬শ উন্নত জাতের ডিম নিয়ে পলু পালন করছেন| সমরুদ্দিনের সাথে কথা হয় তাঁর পলু পালনের আদর্শ ঘরের বারান্দায়| 

তিনি জানান, আমি আমার পূর্বপুরুষের হাত ধরে রেশম চাষ করে আসছি| বছরে চারটি ক্রোপের মধ্যে জ্যৈষ্ঠা ক্রোপে ৫শ থেকে ৬শ ডিমে পলু পোকা উৎপাদন করে পালন করে মোট ৬ মণ গুঠি উৎপাদন হবে আশা করছি|  তিনি বলেন, প্রায় ২০দিন সময় লাগবে পলু পোকা থেকে গুঠি হতে| এতে মোট খরচ হবে মাত্র ২৫ হাজার টাকা| আয় হবে প্রায় ১ লাখ টাকার ওপর| তিনি বলেন, আমার এখানে এলাকার প্রায় ৭/৮ জন অসহায় বিধবা নারী কাজ করেন| তাদের খাওয়াসহ সম্মানি দেয়া হয়| 

সমরুদ্দিন আরো বলেন, সরকারের আন্তরিক সহযোগিতায় এবং দায়িত্বরত উপ-পরিচালক মো. তরিকুল ইসলাম আমাদের রেশম চাষিদের বাড়ি বাড়ি উপস্থিত হয়ে ভালো ফলন পেতে করণীয় বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করেন| তিনি বলেন ডিম থেকে পোকায় রূপান্তরিত হয়ে এখন গুঠি হয়ে গেছে| মাত্র ২০ দিনে লাখ টাকা ঘরে তুলতে পারার আশায় আমিসহ পরিবারের সবার মুখে হাসি ফুটেছে| তিনি বলেন, ভোলাহাট উপজেলার প্রায় রেশম চাষি জ্যৈষ্ঠা ক্রোপে ভালো ফলন পাবেন|

ভোলাহাট জোনাল রেশম সম্প্রসারণ কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, আমি রেশম চাষিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ খবর রাখি| ভালো ফলন পেতে বিভিন্ন প্রকার পরামর্শ প্রদান করি| এবার বাম্পার ফলনের আশায় মো. সমিরুদ্দিনসহ অন্যান্য রেশম চাষিরা আশায় বুক বেঁধে আছেন|

তিনি আরো বলেন, রেশম উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে রেশম চাষিদের  উন্নত জাতের জীবাণু মুক্ত ভালো ডিম সরবরাহ করি| এছাড়াও উঠান ˆবঠকের মাধ্যমে নিয়মিত পরামর্শ প্রদান করার কারণে বাম্পার ফলন আশা করা যাচ্ছে|