বুধবার ২৬ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১১ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঈদে মিলাদুন নবী (সা.) পালিত মায়েদের হাতেই শিশুর পুষ্টি: শিগগিরই শুরু হচ্ছে রান্না করা মিড-ডে মিলের পাইলট প্রকল্প: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে চালু অটোমেশন পদ্ধতি শিবগঞ্জে ৫৯ বিজিবির পৃথক অভিযানে ২৪ দিনের ব্যবধানে আবারো জব্দ ভারতীয় ট্রাকের যন্ত্রাংশ জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট : ৫ম দিনের খেলায় ৬-০ গোলে জয় পেল গোমস্তাপুর দেশে সারের সংকট নেই পর্যাপ্ত মজুত আছে : তথ্য উপদেষ্টা চলতি অর্থবছরেই দেশের সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জরিমানা ছাড়া গাড়ির কাগজপত্র নবায়নের শেষ সময় ২৯ অক্টোবর জয় দিয়ে নতুন মৌসুম শুরু করল চেলসি তদন্তের মুখে পড়ে দল থেকে ছিটকে গেলেন ইংলিশ পেসার
Printed on: August 26, 2026
June 02, 2026
বিনোদন
বিনোদন

অর্থপাচারের মামলায় জড়ালেন জ্যাকুলিন

Published: June 02, 2026 at 11:51 AM
অর্থপাচারের মামলায় জড়ালেন জ্যাকুলিন

বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের আইনি জটিলতা যেন কিছুতেই কাটছে না। ২০০ কোটি টাকার অর্থপাচার মামলায় এবার দিল্লির এক আদালত জানিয়ে দিয়েছে, এই মামলায় জ্যাকুলিনকে শুধু একজন প্রতারণার শিকার বা নির্দোষ ভাবার কোনো সুযোগ নেই বরং তাকে এই অপরাধের অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবেই দেখা উচিত। সম্প্রতি দিল্লির পাটিয়ালা হাউস কোর্টে মামলার শুনানি চলাকালে বিচারক এমন কঠোর পর্যবেক্ষণ দেন। আদালতের বক্তব্য, অন্যতম মূল হোতা ও কুখ্যাত প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে জ্যাকুলিনের সম্পর্ক কেবল ব্যক্তিগত পর্যায়ে সীমাবদ্ধ ছিল না। প্রাথমিক তদন্তে যে সমস্ত তথ্যপ্রমাণ ও নথিপত্র সামনে এসেছে, তাতে স্পষ্ট যে এই অর্থপাচার প্রক্রিয়ার একাধিক ঘটনায় জ্যাকুলিনের সক্রিয় ভূমিকা ও সংশ্লিষ্টতা ছিল। তদন্তকারীদের সূত্র ধরে আদালত আরও জানায়, সুকেশ যে একটি অপরাধমূলক কর্মকা-ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, সে বিষয়ে জ্যাকুলিন সম্পূর্ণ অন্ধকারে ছিলেন এমন দাবি কোনোভাবেই বিশ^াসযোগ্য নয়। তিনি সব জেনেবুঝেও সুকেশের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন। এমনকি সুকেশের বিতর্কিত কর্মকা- ও অপরাধের খবর প্রকাশ্যে আসার পরেও তাদের মধ্যকার যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়নি বলে তদন্তকারী সংস্থা দাবি করেছে। এই মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর করা পূর্ববর্তী দাবির সঙ্গেই আদালতের এই পর্যবেক্ষণের মিল পাওয়া গেছে। ইডির দাবি, জ্যাকুলিন পুরো বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন এবং সুকেশের দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত কালো টাকা থেকে তিনি সরাসরি আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন। ফলে আইনানুযায়ী তিনি এই মামলার একজন অন্যতম প্রধান সুবিধাভোগী। এর আগে, গত এপ্রিল মাসে এই আইনি জটিলতা থেকে বাঁচতে জ্যাকুলিন আদালতের কাছে একটি আবেদন করেছিলেন। সেখানে তিনি নিজেকে সরকারি সাক্ষী করার অনুরোধ জানান এবং তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তবে ইডি শুরু থেকেই জ্যাকুলিনের এই আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করে আসছিল। কেন্দ্রীয় এই সংস্থার মতে, জ্যাকুলিন নিজেকে যতটা নির্দোষ বলে দাবি করছেন, মামলার নথিপত্র ও প্রমাণ তার উল্টো কথাই বলছে। আদালতের সর্বশেষ পর্যবেক্ষণে ইডির সেই দাবিই যেন আরও একবার সিলমোহর পেল।