ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে রবিবার থেকে। প্রথম দিনেই চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল-গোমস্তাপুর-ভোলাহাট) আসনের সংসদ সদস্য ড. মু. মিজানুর রহমান তার নির্বাচনী এলাকার শিল্পের প্রসার, কাঁচামালের সংরক্ষণাগার এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের বিকাশ সাধনের লক্ষে শিল্পমন্ত্রীর কাছে বিসিক শিল্পনগরী স্থাপনের দাবি তুলেছেন।
সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে ড. মিজান এমপি এ দাবি তুলেন।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশনের প্রথম কার্যদিবসে সভাপতিত্ব করেন।
ড. মিজানুর রহমান বলেন- আমার নির্বাচনী এলাকাটি আমের রাজধানী হিসেবে খ্যাত। এখানে পেয়ারা, টমেটো, সবজিসহ অনেক ফসল উৎপাদন হয়।
তিনি শিল্পমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করে বলেন, অনুগ্রহ করে বলবেন কি, আমার নির্বাচনী এলাকা দেশের অন্যতম আম ও টমেটো উৎপাদনকারী অঞ্চল। এখানে রহনপুর রেলবন্দরের কারণে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বাণিজ্যিক জোন হওয়া সত্ত্বেও কোনো শিল্পনগরী না থাকায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষি উদ্যোক্তা বিকশিত হতে পারছে না। অতএব, গুরুত্ব বিবেচনায় এখানে একটি বিসিক শিল্পনগরী স্থাপনের কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে কিনা?
প্রশ্নোত্তরে শিল্পমন্ত্রী বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১১ একর জমির ওপর একটি বিসিক শিল্পনগরী পার্ক আছে। সেখানে ৮৮টি প্লটে আমাদের উদ্যোক্তারা ২২টি শিল্প স্থাপন করেছেন। সেখানে বরাদ্দযোগ্য আর কোনো প্লট নেই। এই প্লট না থাকাটাই বোঝা যায় সেখানে চাহিদা আছে। তবে এই মুহূর্তে আমাদের কাছে কোনো পরিকল্পনা নেই।
মন্ত্রী মিজানুর রহমানের উদ্দেশ্যে বলেন- আপনি যদি কিছু উদ্যোক্তার সঙ্গে কথা বলে জানাতে পারেন যে কিছু উদ্যোক্তা আছে, তাহলে আমরা ফিজিবিলিটি স্টাডি করব এবং এখানে একটি নতুন পার্ক করা যেতে পারে।
সম্পূরক প্রশ্নে মিজানুর রহমান বলেন- আম সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় প্রচুর আম নষ্ট হয়ে যায়। ফলে কৃষকরা আমের ন্যায্যমূল্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়। এমন অবস্থায় আম সংরক্ষণের জন্য বিশেষ কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা এ আমার প্রশ্ন। যদি এটা করা হয় তাহলে এলাকার কৃষকরা উপকৃত হবে।
জবাবে মন্ত্রী বলেন- শিল্প স্থাপন করবেন বেসরকারি উদ্যোক্তারা, সরকার এটাকে ফেসেলিটেড করবে। এখানে ব্যক্তি খাতে কেউ যদি এগিয়ে আসেন তার জন্য যা যা সহায়তা প্রয়োজন সেই সহায়তা আমরা দিব ইনশাআল্লাহ।