মঙ্গলবার ২৮ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৩ই শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১২ সফর ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
রেডিও মহানন্দার মাসিক কর্মী সমন্বয় সভা বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ মনাকষায় ৫৩ বিজিবির অভিযানে ৮ মোবাইল ফোন সেটসহ আটক ২ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু নির্মাণ সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি : সিডিউল রেট বাড়ানোর দাবিতে ঠিকাদার সমিতির স্মারকলিপি শিবগঞ্জে দুই অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে এক যাত্রী নিহত মৎস্য অফিসের মোবাইল কোর্ট : মহানন্দায় ৫০টি চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস বঙ্গভবনে কার্যক্রম শুরু ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে : সিইসি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা : তথ্যমন্ত্রী
Printed on: July 28, 2026
May 18, 2026
শিবগঞ্জ
শিবগঞ্জ

শিবগঞ্জে কয়েক হাজার বিঘা জমির কর নেয়া বন্ধ : চালুর উদ্যোগ নিতে মাঠ পরিদর্শনে এমপি

Published: May 18, 2026 at 02:10 PM
শিবগঞ্জে কয়েক হাজার বিঘা জমির কর নেয়া বন্ধ : চালুর উদ্যোগ নিতে মাঠ পরিদর্শনে এমপি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার নদীভাঙন কবলিত উজিরপুর ইউনিয়নের উজিরপুর ও রাধাকান্তপুর মৌজার কয়েক হাজার বিঘা জমির কর বন্ধ রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে| বন্ধ থাকা কর চালুর উদ্যোগ নিতে সেই মাঠ পরিদর্শন করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ড. কেরামত আলী| সোমবার দুপুরে তিনি এই মাঠ পরিদর্শন করেন| 

এসময় সেসব জমির শতাধিক মালিক উপস্থিত ছিলেন| ভূমি মালিক আব্দুল আওয়াল, সাদিকুল ইসলাম, শামসুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, নাজির হোসেন, আব্দুল মালেক ও আলী হোসেনসহ উপস্থিত সকলেই জানান, ২০০১ থেকে ২০০৩ সালের মধ্যে উজিরপুর ও রাধাকান্তপুর মৌজার কয়েক হাজার বিঘা জমি নদীভাঙনের কবলে পড়ে বিলীন হয়ে যায়| কিন্তু কয়েক বছর পর ২০০৫ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যেই সেই জমি আবার জেগে উঠে এবং মালিকরা নিজ নিজ জমি চাষাবাদ শুরু করে| আম, বরই, কলা, ধান ও ভুট্টাসহ প্রায় সব ফসলই চাষ হচ্ছে এসব জমিতে| তারা জানান, জমির খাজনা দিতে গেলে তারা জানতে পারেন এইসব জমি সিকস্তি পর্যায়ে আছে; ফলে খাজনা নেয়া যাবে না বলে ভূমি অফিস জানায়| এরপর থেকে আমরা বিভিন্ন অফিস-আদালত ঘুরেও কোনো সুরাহা না পেয়ে সংসদ সদস্যের শরণাপন্ন হয়েছি| 

এদিকে এতগুলো জমির খাজনা আদায় না করায় রাষ্ট্রের রাজস্ব আয়েও বিরূপ প্রভাব পড়ছে বলেও জানিয়েছেন অনেকেই| সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে অনতিবিলম্বে এই দুটি মৌজার সকল জমির খাজনা চালু করতে প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবার কাছে জোর দাবি জানানা এসব জমির মালিকরা| 

এদিকে ভুক্তভোগী কৃষক ও ভূমি মালিকদের এই ভোগান্তি রোধকল্পে মাঠ পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য ড. কেরামত আলী বলেন, এই এলাকার দুটি মৌজার কয়েক হাজার বিঘা জমির কয়েকশ মালিক ভুক্তভোগী রয়েছে| তারা তাদের নিজস্ব জমির খাজনা দিতে পারছে না, এটি দুঃখজনক| তাদের বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি| 

এসময় এই দুটি মৌজার ব্যক্তিগত সকল জমির খাজনা চালু করতে ভূমি মালিকদের পাশে থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন ড. কেরামত আলী|