মঙ্গলবার ২৩ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৯ই আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ৭ মহররম ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
বই আলোচনা : আগামী দিনের পথ চলার পাথেয় শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে প্রতি মাসে ৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাবেন পুলিশ সুপার গোমস্তাপুরে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা : রাবেয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী :মাঠে ছিল বিএনপি মাদককে লাল কার্ড দেখালেন হামিদুল্লাহর শিক্ষার্থীরা চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু সুরক্ষার লক্ষে মতবিনিময় সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জে উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও বাজার সংযোগ বিষয়ক আবাসিক প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে পানি সংকট মোকাবেলায় এশিয়ার সব দেশকে এগিয়ে আসার আহ্বান স্পিকারের প্রাথমিকে শিক্ষক বদলি ও পদায়নে চার স্তরের কমিটি গঠন আইসিসির মাস সেরা খেলোয়াড় মনোনীত হলেন মুশফিক
Printed on: June 23, 2026
April 28, 2026
আন্তর্জাতিক
আন্তর্জাতিক

যুদ্ধের প্রথম দিনে ইরানে স্কুলে হামলায় নিহত ১৫৫ : রাষ্ট্রীয় টিভি

Published: April 28, 2026 at 05:25 PM
যুদ্ধের প্রথম দিনে ইরানে স্কুলে হামলায় নিহত ১৫৫ : রাষ্ট্রীয় টিভি

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিন ইরানের মিনাব শহরের একটি স্কুলে ভয়াবহ হামলায় নিহত ১৫৫ জনের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরআইবি ও স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিনাবের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলায় ৭৩ জন ছাত্র ও ৪৭ জন ছাত্রী নিহত হয়।

আইআরআইবি তাদের টেলিগ্রাম পোস্টে জানায়, এ ছাড়া নিহতদের মধ্যে ছিলেন ২৬ জন শিক্ষক, সাতজন অভিভাবক, একটি স্কুলবাসের চালক এবং স্কুলসংলগ্ন একটি ক্লিনিকের একজন ফার্মেসি টেকনিশিয়ান। সব মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫৫ জন।

এর আগে নিহতের সংখ্যা ১৭৫ বলা হয়েছিল। ওই দিনই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা শুরু করে। এর জবাবে তেহরানও ইসরাইল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে পাল্টা হামলা চালায়। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হয়েছে, একটি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভুল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানায় এ ঘটনা ঘটে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার শুরুতে বলেছিলেন, এ ঘটনার জন্য ইরান নিজেই দায়ী হতে পারে। যদিও ইরানের কাছে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র নেই। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে দেওয়া এক ভিডিও ভাষণে এ হামলাকে ‘পরিকল্পিত, পর্যায়ক্রমিক আক্রমণ’ হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, ‘যারা নিজেদের সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তি ও নিখুঁত সামরিক সক্ষমতার অধিকারী বলে দাবি করে, তাদের ক্ষেত্রে এই হামলাকে ভুলবশত হয়েছে বলে বিশ^াস করার কোনো কারণ নেই। এটি ইচ্ছাকৃত।’ দক্ষিণ সুদানে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১৪ জনের প্রাণহানিদক্ষিণ সুদানের রাজধানী জুবার কাছে গত সোমবার একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১৩ যাত্রী ও পাইলটসহ মোট ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। রাজনৈতিক অস্থিরতা, সংঘাত ও দারিদ্র্যের পাশাপাশি দেশটিতে নির্ভরযোগ্য পরিবহন অবকাঠামোরও অভাব রয়েছে। অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই ও খারাপ আবহাওয়ার কারণে সেখানে প্রায়ই বিমান দুর্ঘটনা ঘটে। দক্ষিণ সুদানের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানায়, সেসনা মডেলের বিমানটি গ্রিনিচ মান সময় ০৭১৫টায় জুবা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে।  রাজধানী থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে এটি বিধ্বস্ত হয়। এতে  কাউকে জীবিত উদ্ধার হয়নি। প্রাথমিক প্রতিবেদনে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে প্রতিকূল আবহাওয়া, বিশেষ করে কম দৃশ্যমানতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ১২ জন দক্ষিণ সুদানের নাগরিক ও দুই জন কেনিয়ার নাগরিক ছিলেন। ঘটনাস্থলে পাঠানো জাতিসংঘের একটি উদ্ধার দলের এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কোনো লাশই শনাক্ত করা যায়নি। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে উত্তর দক্ষিণ সুদানে একটি বিমান দুর্ঘটনায় ২০ জনের মৃত্যু হয়। ২০২১ সালে বিশ^ খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) জ্বালানি বহনকারী একটি কার্গো বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পাঁচ জনের প্রাণহানি ঘটে। ২০১৫ সালে জুবায় সোভিয়েত আমলের একটি আন্তোনভ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৩৬ জন মারা যান। এছাড়া ২০১৭ সালে একটি বিমান রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে একটি ফায়ার ট্রাকে ধাক্কা দিলে আগুন ধরে যায়। তবে অলৌকিকভাবে বিমানে থাকা ৩৭ জনই অক্ষত অবস্থায় বেঁচে যান।