শুক্রবার ০৫ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২২শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১৯ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি
LIVE
Printed on: June 05, 2026
June 04, 2026
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর

সদর, শিবগঞ্জ ও নাচোলে বজ্রপাতে দুই শিশু ও তিন নারীর মৃত্যু

Published: June 04, 2026 at 02:41 PM
সদর, শিবগঞ্জ ও নাচোলে বজ্রপাতে  দুই শিশু ও তিন নারীর মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিন উপজেলায় বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে দুই শিশুসহ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় ১ জন, শিবগঞ্জ উপজেলায় ৩ জন ও নাচোল উপজেলায় ১ জনের মৃত্যুর এই ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- সদর উপজেলার আতাহার এলাকার রাব্বিলের ছেলে আব্দুল্লাহ (১৪), শিবগঞ্জ উপজেলার চককীর্তি ইউনিয়নের চক নরেন্দ্র গ্রামের আব্দুর রউফের স্ত্রী মাহমুদা বেগম (১৯). একই ইউনিয়নের রানীবাগি বাজারপাড়ার কাশেম আলীর মেয়ে সাহিদা খাতুন (১৬) ও মোবারকপুর ইউনিয়নের শিকারপুর দক্ষিণপাড়ার ফিটু আলীর ছেলে মেসবাউল (১৪) এবং নাচোল উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের লাহাপড়া গ্রামের আব্দুর রাকিবের স্ত্রী সুমি আরা (৪০)।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একরামুল হোসাইন জানান, বিকেলে বাড়ির পাশে গরু আনার জন্য মাঠে অবস্থান করছিল আব্দুল্লাহ। এ সময় হঠাৎ ঝড়বৃষ্টির সাথে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই একটি গরু মারা যায় এবং আব্দুল্লাহ গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল্লাহকে মৃত ঘোষণা করেন।

শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মতিউর রহমান জানান, বিকেলে ঝড়বৃষ্টির সময় বাগানে আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রপাতের শিকার হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান মাহমুদা বেগম, সাহিদা খাতুন মেসবাউল। 

অন্যদিকে নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ জানান, একই সময় নাচোল উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের বিকেলে একটি মাঠ থেকে ঘাস কেটে বাড়ি ফেরার সময় সুমি আরা মারা যান। এ ঘটনায় তার স্বামী আব্দুর রাকিব আহত হন। 


গত দিনের দুজনের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রশাসনের

এদিকে গত বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে বজ্রপাতে নিহত জেলার সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর তেররশিয়া ঝুরিপাড়ার মো. বাবু আলীর ছেলে মিরাজ (১৫) ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার শেয়ালা কলোনির মৃত মঙ্গলা উদ্দিনের ছেলে মানিক আলীর পরিবারকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহীনূর আলম।