ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার মালিগ্রাম এলাকায় এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চারজনসহ ৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো দুই শিশু আহত অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। মঙ্গলবার ভোর পৌনে ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- যশোরের ঝিকরগাছা এলাকার বাকড়া ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী রাকিব হোসেন, তার মা নুরজাহান বেগম, বোন আয়েশা আক্তার এবং ভাই আরিফ হোসেন। নিহত অপরজন প্রাইভেটকারের চালক জাহিদ হোসেন। সে মনিরামপুর উপজেলার গৌরপুর গ্রামের মো. ইসলামের পুত্র।
এ ঘটনায় আহত দুই শিশু আশরাফুল হোসেন (৮) ও তাসফিয়া (৩) ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্বজনেরা জানান, দীর্ঘ ১০ বছর ধরে মালয়েশিয়া প্রবাসী ছিলেন রাকিব হোসেন। সোমবার রাতে তিনি দেশে ফিরলে স্বজনরা তাকে এয়ারপোর্ট থেকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে তাদের বহনকারী প্রাইভেটকারটি দুর্ঘটনার শিকার হয়।
উদ্ধারকারীরা জানান, দ্রুতগতির কারণে প্রাইভেটকারটি ট্রাকের মধ্যে ঢুকে পড়ে। এতে চারজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আহত দুই শিশু ও রকিব হোসেনকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে রাকিব হোসেন মারা যান।
মাদারীপুরের শিবচর হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক এম এম মুমতাছির মাহমুদ জানান, ভোরের দিকে ঢাকা থেকে যশোরগামী একটি দ্রুতগতির প্রাইভেটকার দাঁড়িয়ে থাকা বিকল ট্রাকের পেছনে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই নারী এবং দুই পুরুষ মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে আরো এক ব্যক্তিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে তার মৃত্যু হয়। প্রাইভেটকারে থাকা দুই শিশু সামান্য আহত হয়েছে।
তিনি জানান, দুর্ঘটনার পর প্রাইভেটকারের চালক ট্রাকের পেছনে দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া গাড়ির ভেতরে আটকা পড়েছিলেন। পরে গাড়ির ক্ষতিগ্রস্ত অংশ কেটে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।