রবিবার ০৯ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৫শে শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৪ সফর ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নেই, বন্ধ তিন বিভাগের সেবা নাচোলে ঈদগাহ ও গোরস্থানের উন্নতি কল্পে আলোচনা সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে সারের জন্য ভোর থেকেই কৃষকের লাইন শিবগঞ্জে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় এমপি কেরামত আলীর শিবগঞ্জ বিজিবি’র অভিযানে জব্দ নেশাজাতীয় সিরাপ, গ্রেপ্তার একজন চাঁপাইনবাবগঞ্জে শ্বাসকষ্ট নিয়ে আরো ৩ শিশু হাসপাতালে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ৫৫ রোগী চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহভাজন ১ জন শনাক্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে আরো ৬ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা, মহানন্দা ও পুনভর্বার নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত
Printed on: August 09, 2026
August 07, 2026
জাতীয়
জাতীয়

গবেষণা প্রস্তাব মূল্যায়নে বড় পরিবর্তন এনেছে ইউজিসি

Published: August 07, 2026 at 12:31 PM
গবেষণা প্রস্তাব মূল্যায়নে বড় পরিবর্তন এনেছে ইউজিসি

গবেষণা প্রকল্পের প্রস্তাব মূল্যায়নে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এবং অতীত নিয়ে সৃষ্ট নেতিবাচক ধারণা দূর করতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। হায়ার এডুকেশন এঙ্লিারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্বের গবেষণা উপ-প্রকল্প নির্বাচন প্রক্রিয়ায় প্রস্তাব তৈরি, জমাদান ও মূল্যায়নের প্রতিটি ধাপে এসব প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

নতুন ব্যবস্থার আওতায় গবেষণা অর্থায়নের জন্য জমা দেয়া প্রস্তাবগুলোতে আবেদনকারী গবেষক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচয় গোপন রেখে বিশেষ কোডের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য রিভিউয়ারদের একটি প্যানেল থেকে লটারির মাধ্যমে চূড়ান্ত রিভিউয়ার নির্বাচন করা হয়েছে, যাতে কোনো ব্যক্তিগত পরিচয় বা প্রাতিষ্ঠানিক প্রভাবের সুযোগ না থাকে।

শুক্রবার রাজধানীর বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমিতে হিট প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত ‘উপ-প্রকল্প মূল্যায়ন পরিচিতি’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এসব তথ্য জানান।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, হিট প্রকল্পের প্রথম ধাপে উপ-প্রকল্প নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কিছু নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছিল। বাস্তবতার সাথে পার্থক্য থাকলেও গবেষক ও শিক্ষক সমাজে কোনো ধরনের নেতিবাচক ধারণা থাকুক-ইউজিসি তা চায় না। এ কারণেই দ্বিতীয় ধাপের মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রকৃত গবেষকদের খুঁজে বের করতে চাই। প্রকল্প নির্বাচনে ব্যক্তিগত পরিচয় নয়, গবেষণার গুণগত মান, নতুনত্ব এবং সম্ভাব্য প্রভাবই হবে মূল বিবেচ্য।’

অধ্যাপক মামুন জানান, তিনটি নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে প্রাথমিক রিভিউয়ার প্যানেল গঠনের পর একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি সংশ্লিষ্ট গবেষকদের প্রকাশনা, গবেষণা অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা যাচাই করে চূড়ান্ত প্যানেল নির্ধারণ করেছে। প্রতিটি প্রস্তাবের বিপরীতে লটারির মাধ্যমে দু’জন রিভিউয়ার নির্বাচন করা হয়েছে। মূল্যায়নের নির্ধারিত সময়ের আগে কোনো রিভিউয়ার জানতে পারবেন না কোন প্রস্তাবটি তার কাছে যাচ্ছে।

তিনি আরো জানান, গত বছর অর্থায়ন পাওয়া ১৮০টি গবেষণা প্রকল্প নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কোনো প্রকল্পে অনিয়ম বা নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থতা দেখা গেলে অর্থায়ন বন্ধের পাশাপাশি আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কর্মশালায় ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব, অধ্যাপক ড. মো. আসলাম হোসেন, অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ চৌধুরী এবং হিট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. আসাদুজ্জামানসহ ইউজিসি ও হিট প্রকল্পের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।