চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী বলেছেন, চামড়া আমাদের অর্থকরী সম্পদ, কাজেই কোরবানির চামড়া কেউ নষ্ট করবেন না। চামড়া ছাড়ানোর ৪ থেকে ৫ ঘণ্টার মধ্যে লবণ দেবেন, লবণের পর্যাপ্ত মজুত আছে। আমরা জেলার ৮৪টি লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের তালিকা পাঠিয়েছিলাম। সবগুলোকেই লবণ দেয়া হয়েছে। অতীতে লবণের সঠিক ব্যবহার হয়নি। এবার যেন হয়।
গতকাল বুধবার কোরবানির পশু জবাই, চামড়া ছাড়ানো ও সংরক্ষণের বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি অবলম্বন এবং স্বাস্থ্যসম্মত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক এক প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নাকিব হাসান তরফদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক উজ্জ্বল কুমার ঘোষ, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারুফ আফজাল রাজন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. ইয়াছিন আলী, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ফজলে এলাহীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, চামড়া ব্যবসায়ী, লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।