বুধবার ১৪ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৯শে আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
Printed on: October 14, 2026
October 14, 2026
খেলাধুলা
খেলাধুলা

শেষ ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে সান্ত্বনার জয় পেলো শ্রীলঙ্কা

Published: October 14, 2026 at 12:44 PM
শেষ ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে সান্ত্বনার জয় পেলো শ্রীলঙ্কা

পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে সান্ত্বনার জয় পেয়েছে শ্রীলঙ্কা। রাওয়ালপিন্ডিতে গত মঙ্গলবার স্বাগতিকদের ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে লঙ্কানরা। অধিনায়ক কুশল মেন্ডিসের অপরাজিত ৮৭ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ১৭ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় তারা। তবে প্রথম দুই ম্যাচ জিতে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের দেওয়া ১৬৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই লাহিরু উদারার (১) উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। তবে দ্বিতীয় উইকেটে সিনেথ জয়াবর্ধনের সঙ্গে ৫৯ রানের জুটি গড়ে দলকে ম্যাচে ফেরান কুশল। ২৬ বলে ৩৮ রান করে জয়াবর্ধনে ফিরলে ক্রিজে আসেন কামিন্দু মেন্ডিস। এরপর আর কোনো বিপদ হতে দেননি দুই মেন্ডিস। তৃতীয় উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ৯৮ রানের জুটি গড়ে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তারা। ৪৮ বলে ৮৭ রানের অপরাজিত ইনিংসে ৯টি চার ও ৪টি ছক্কা মারেন কুশল। কামিন্দু অপরাজিত থাকেন ২৭ বলে ৪০ রান করে। তার ইনিংসে ছিল চারটি চার। এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৬৮ রান করে পাকিস্তান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৬ রান করেন সাহিবজাদা ফারহান। ৪৭ বলের ইনিংসে সাতটি চার ও তিনটি ছক্কা মারেন তিনি। তবে ১০২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বড় বিপদে পড়েছিল পাকিস্তান। শেষদিকে আবদুল সামাদ আর আরাফাত মিনহাসের ব্যাটে চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ পর্যন্ত যেতে পারে পাকিস্তান। সামাদ ১০ বলে ১৫ করে আউট হন। ২০ বলে অপরাজিত ৩৪ রান করে দলের সংগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন আরাফাত। শ্রীলঙ্কার হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন দাসুন শানাকা। ২১ রান দিয়ে তিনটি উইকেট নেন তিনি। এ ছাড়া নুয়ান থুশারা ও এশান মালিঙ্গা দুটি করে উইকেট শিকার করেন। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন কুশল মেন্ডিস। আর পুরো সিরিজে ব্যাট হাতে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে সিরিজসেরা হয়েছেন পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহান। প্রথম দুই ম্যাচে যথাক্রমে ৪ উইকেট ও ৮২ রানে জিতে আগেই সিরিজ নিশ্চিত করেছিল পাকিস্তান। শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার এই জয় তাই ব্যবধান কমানোর পাশাপাশি হোয়াইটওয়াশের লজ্জা থেকেও বাঁচিয়েছে সফরকারীদের।