মঙ্গলবার ২৩ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৯ই আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ৭ মহররম ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
বই আলোচনা : আগামী দিনের পথ চলার পাথেয় শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে প্রতি মাসে ৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাবেন পুলিশ সুপার গোমস্তাপুরে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা : রাবেয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী :মাঠে ছিল বিএনপি মাদককে লাল কার্ড দেখালেন হামিদুল্লাহর শিক্ষার্থীরা চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু সুরক্ষার লক্ষে মতবিনিময় সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জে উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও বাজার সংযোগ বিষয়ক আবাসিক প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে পানি সংকট মোকাবেলায় এশিয়ার সব দেশকে এগিয়ে আসার আহ্বান স্পিকারের প্রাথমিকে শিক্ষক বদলি ও পদায়নে চার স্তরের কমিটি গঠন আইসিসির মাস সেরা খেলোয়াড় মনোনীত হলেন মুশফিক
Printed on: June 23, 2026
April 29, 2026
জাতীয়
জাতীয়

কৃষকের পণ্য ডোর টু ডোর সরবরাহে প্রযুক্তিনির্ভর রূপান্তর শুরু : কৃষিমন্ত্রী

Published: April 29, 2026 at 04:45 PM
কৃষকের পণ্য ডোর টু ডোর  সরবরাহে প্রযুক্তিনির্ভর   রূপান্তর শুরু : কৃষিমন্ত্রী

কৃষকের উৎপাদিত পণ্য সহজে বাজারজাতকরণ, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং রপ্তানি প্রক্রিয়ায় সরাসরি সম্পৃক্ততার লক্ষে সরকার কৃষি খাতে একটি মৌলিক রূপান্তর কার্যক্রম শুরু করেছে। 

বুধবার জাতীয় সংসদে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এ কথা জানিয়েছেন।

নরসিংদী-৫ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. আশরাফ উদ্দিনের টেবিলে উত্থাপিত তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও ডাটানির্ভর ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিপণন ব্যবস্থাকে পুনর্গঠন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কৃষকের পণ্য ‘ডোর টু ডোর’ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। ফলে উৎপাদক থেকে সরাসরি ভোক্তার কাছে পণ্য পৌঁছানো সম্ভব হবে এবং মধ্যস্বত্বভোগীর ওপর নির্ভরতা কমে আসবে।

তিনি আরো জানান, গত পহেলা বৈশাখ প্রধানমন্ত্রী টাঙ্গাইল সদরসহ দেশের ১১টি উপজেলায় ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের প্রি-পাইলট কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন। এর মাধ্যমে কৃষকরা ১০ ধরনের সেবা পাবেন। সেগুলোর মধ্যে রয়েছেÑ উৎপাদিত পণ্য ন্যায্যমূল্যে বিক্রয়ের সুযোগ, বাজার সংযোগ এবং বিভিন্ন সহায়তা সেবা।

রপ্তানি সম্প্রসারণের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, কৃষিপণ্য রপ্তানি প্রক্রিয়ায় কৃষকদের সরাসরি সম্পৃক্ত করতে চুক্তিভিত্তিক কৃষি (কন্ট্রাক্ট ফার্মিং) উৎসাহিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের উত্তরাঞ্চলে কৃষিপণ্যভিত্তিক রপ্তানি অঞ্চল গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি জানান, ‘পার্টনার’ প্রকল্পের আওতায় কৃষি উপকরণ সরবরাহ, পরামর্শ সেবা, সংগ্রহ কেন্দ্র (কালেকশন পয়েন্ট), ক্রয়-বিক্রয় সুবিধা এবং ওয়াশিং সুবিধাসহ আধুনিক ‘ওয়ান স্টপ হাব’ নির্মাণ করা হবে, যা কৃষি বিপণনে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

ডিজিটাল সংযোগ জোরদারে ‘স্মার্ট কৃষি মার্কেট’ নামে একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

এটির মাধ্যমে কৃষক, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা এবং ভোক্তাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ইতোমধ্যে ফসলভিত্তিক রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য একটি রোডম্যাপ প্রণয়ন করেছে। এটি বাস্তবায়িত হলে দেশের কৃষিপণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হবে।

মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এসব সমন্বিত উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের কৃষিখাত আরো আধুনিক, লাভজনক এবং টেকসই হয়ে উঠবে।