বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৮ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১০ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
গোমস্তাপুরে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা এবার রাজশাহীতে ডেঙ্গুতে মৃত্যু চাঁপাইনবাবগঞ্জের একজনের : জেলায় নতুন আক্রান্ত ৬৬ জন শিবগঞ্জে ৬টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক শিবগঞ্জে বন্যার্তদের মধ্যে চাল বিতরণ করলেন এমপি ড. কেরামত প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা বাস ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জাতিসংঘ মহাসচিবের স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্বমঞ্চে গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় ফিফা সংস্কারের প্রস্তাব দিলেন ইনফান্তিনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেন মার্ক উড
Printed on: September 23, 2026
April 29, 2026
জাতীয়
জাতীয়

কৃষকের পণ্য ডোর টু ডোর সরবরাহে প্রযুক্তিনির্ভর রূপান্তর শুরু : কৃষিমন্ত্রী

Published: April 29, 2026 at 04:45 PM
কৃষকের পণ্য ডোর টু ডোর  সরবরাহে প্রযুক্তিনির্ভর   রূপান্তর শুরু : কৃষিমন্ত্রী

কৃষকের উৎপাদিত পণ্য সহজে বাজারজাতকরণ, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং রপ্তানি প্রক্রিয়ায় সরাসরি সম্পৃক্ততার লক্ষে সরকার কৃষি খাতে একটি মৌলিক রূপান্তর কার্যক্রম শুরু করেছে। 

বুধবার জাতীয় সংসদে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এ কথা জানিয়েছেন।

নরসিংদী-৫ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. আশরাফ উদ্দিনের টেবিলে উত্থাপিত তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও ডাটানির্ভর ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিপণন ব্যবস্থাকে পুনর্গঠন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কৃষকের পণ্য ‘ডোর টু ডোর’ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। ফলে উৎপাদক থেকে সরাসরি ভোক্তার কাছে পণ্য পৌঁছানো সম্ভব হবে এবং মধ্যস্বত্বভোগীর ওপর নির্ভরতা কমে আসবে।

তিনি আরো জানান, গত পহেলা বৈশাখ প্রধানমন্ত্রী টাঙ্গাইল সদরসহ দেশের ১১টি উপজেলায় ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের প্রি-পাইলট কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন। এর মাধ্যমে কৃষকরা ১০ ধরনের সেবা পাবেন। সেগুলোর মধ্যে রয়েছেÑ উৎপাদিত পণ্য ন্যায্যমূল্যে বিক্রয়ের সুযোগ, বাজার সংযোগ এবং বিভিন্ন সহায়তা সেবা।

রপ্তানি সম্প্রসারণের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, কৃষিপণ্য রপ্তানি প্রক্রিয়ায় কৃষকদের সরাসরি সম্পৃক্ত করতে চুক্তিভিত্তিক কৃষি (কন্ট্রাক্ট ফার্মিং) উৎসাহিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের উত্তরাঞ্চলে কৃষিপণ্যভিত্তিক রপ্তানি অঞ্চল গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি জানান, ‘পার্টনার’ প্রকল্পের আওতায় কৃষি উপকরণ সরবরাহ, পরামর্শ সেবা, সংগ্রহ কেন্দ্র (কালেকশন পয়েন্ট), ক্রয়-বিক্রয় সুবিধা এবং ওয়াশিং সুবিধাসহ আধুনিক ‘ওয়ান স্টপ হাব’ নির্মাণ করা হবে, যা কৃষি বিপণনে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

ডিজিটাল সংযোগ জোরদারে ‘স্মার্ট কৃষি মার্কেট’ নামে একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

এটির মাধ্যমে কৃষক, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা এবং ভোক্তাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ইতোমধ্যে ফসলভিত্তিক রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য একটি রোডম্যাপ প্রণয়ন করেছে। এটি বাস্তবায়িত হলে দেশের কৃষিপণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হবে।

মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এসব সমন্বিত উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের কৃষিখাত আরো আধুনিক, লাভজনক এবং টেকসই হয়ে উঠবে।