আগামী মৌসুমে জিআই ট্যাগ ব্যবহার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জে উৎপাদিত খিরসপাত আম দেশে ও বিদেশে বাজারজাতের লক্ষে ২০ জন আমচাষিকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে|
‘জিআই পণ্য খিরসাপাত আমের ব্র্যান্ডিং ও মেধাসম্পদ সুরক্ষা’ বিষয়ক এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বৃহস্পতিবার সকাল থেকে অনুষ্ঠিত হয়|
আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন|
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— একই অধিদপ্তরের পরিচালক (ডব্লিউটিও এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ক) ড. কায়সার মুহাম্মদ মঈনুল হাসান| প্রশিক্ষণে সভাপতিত্ব করেন আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য ˆবজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শরফ উদ্দিন|
ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি অর্গানাইজেশনের সহযোগিতায় পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর, শিল্প মন্ত্রণালয়, ঢাকা ও আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে|
দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের কমকর্তারা বলেন, আমচাষিরা ভালো মানের আম উৎপাদন করুক এবং জিআই ট্যাগ ব্যবহার করে সেই আম দেশে ও বিদেশে রপ্তানি করুক| তবে এটি একা না করে কোনো একটি সংগঠন বা অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে করলে সফল হওয়া সম্ভব| আগামী মৌসুমে নির্বাচিত আমচাষিদের মধ্য থেকে ২০-৩০ মেট্রিক টন আম দেশে ও বিদেশের বাজারে সরবরাহের পরিকল্পনা আছে বলে তারা জানান|
বক্তারা জিআই ট্যাগ ব্যবহারের মাধ্যমে কীভাবে চাষিরা লাভবান হতে পারেন, সেই বিষয়গুলো তারা আলোচনা করেন|
সভাপতির বক্তব্যে ড. মো. শরফ উদ্দিন বলেন, উত্তম কৃষিচর্চা অনুসরণ করে গুণগত মানসম্পন্ন আম উৎপাদন নিশ্চিত করা হলে তাতে সহজেই জিআই ট্যাগ ব্যবহার করা সম্ভব| তবে উৎপাদনের বিভিন্ন পর্যায়ে অবশ্যই সেগুলো মনিটরিং করে গুণগতমান নিশ্চিত করতে হবে|
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই (জিওগ্রাফিক্যাল ইনডিকেশন) পণ্যের স্বীকৃতি পায়|