বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৮ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১০ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
গোমস্তাপুরে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা এবার রাজশাহীতে ডেঙ্গুতে মৃত্যু চাঁপাইনবাবগঞ্জের একজনের : জেলায় নতুন আক্রান্ত ৬৬ জন শিবগঞ্জে ৬টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক শিবগঞ্জে বন্যার্তদের মধ্যে চাল বিতরণ করলেন এমপি ড. কেরামত প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা বাস ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জাতিসংঘ মহাসচিবের স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্বমঞ্চে গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় ফিফা সংস্কারের প্রস্তাব দিলেন ইনফান্তিনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেন মার্ক উড
Printed on: September 23, 2026
June 15, 2026
লাইফস্টাইল
লাইফস্টাইল

অতিরিক্ত ডিম খাওয়া কি ভালো?

Published: June 15, 2026 at 09:54 AM
অতিরিক্ত ডিম খাওয়া কি ভালো?

সবচেয়ে পুষ্টিকর খাবারের মধ্যে অন্যতম হলো ডিম, যা সহজেই প্রতিদিনের খাবারে রাখা যায়| এতে রয়েছে উচ্চ মানের প্রোটিন এবং ভিটামিন এ, ডি, ও বি১২-এর মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান, সঙ্গে সেলেনিয়াম ও জিঙ্কের মতো খনিজ পদার্থ| নিয়মিত ডিম খেলে তা পেশী গঠনে সহায়তা করে, পেট ভরার অনুভূতি বাড়ায় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করতে পারে| এত উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও খুব বেশি ডিম খাওয়া সবসময় ভালো নয়| যেকোনো খাবারের মতো ডিমও অতিরিক্ত খেলে হজমে অস্বস্তি এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দিতে পারে| তাই পরিমাণ ও রান্নার পদ্ধতির দিকে মনোযোগ দেওয়া জরুরি|


অতিরিক্ত ডিম কীভাবে হজমে প্রভাব ফেলে?

ডিমে প্রাকৃতিকভাবেই প্রচুর প্রোটিন থাকে| বেশি ডিম খেলে তা হজমতন্ত্রের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে| আমাদের শরীর ফল, শাক-সবজি এবং শস্যদানা থেকে পর্যাপ্ত আঁশ ছাড়া অতিরিক্ত প্রোটিন হজম করলে তা পেট ফাঁপা, গ্যাস, অ্যাসিডিটি এবং খাওয়ার পর ভারী অনুভূতির মতো সমস্যার কারণ হতে পারে| কারও কারও ক্ষেত্রে ডিমে হালকা অ্যালার্জি থাকতে পারে| এর ফলে বমি বমি ভাব, পেটে ব্যথা বা অস্বস্তির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে| ডিম খাওয়ার পর যদি আপনি এই সমস্যাগুলো লক্ষ্য করেন, তবে ডিম খাওয়া কমিয়ে দিলে বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে উপকার হতে পারে|


অতিরিক্ত ডিম খাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য সমস্যা

১. অতিরিক্ত ডিম খেলে পেট ফাঁপা এবং পেটে অস্বস্তি হতে পারে, বিশেষ করে যাদের হজমশক্তি সংবেদনশীল তাদের ক্ষেত্রে|

২. কারও কারও ক্ষেত্রে বমি বমি ভাব বা ত্বকে হালকা জ্বালাপোড়ার মতো অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া হতে পারে|

৩. প্রোটিনের জন্য ডিমের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করলে খাদ্যতালিকায় পুষ্টির বৈচিত্র্য কমে যেতে পারে|

৪. যাদের উচ্চ কোলেস্টেরল বা হৃদরোগ আছে, তাদের ডিম খাওয়া সীমিত করার প্রয়োজন হতে পারে|

৫. বেশি পরিমাণে মাখন, পনির বা প্রক্রিয়াজাত মাংস দিয়ে ডিম রান্না করলে খাবারে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে|


দিনে কয়টি ডিম খাওয়া নিরাপদ

দিনে কয়টি ডিম খাবেন তা আপনার বয়স, জীবনযাপনের ধরন, রোগের ইতিহাস এবং সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাসের মতো বিষয়ের ওপর নির্ভর করে| পুষ্টিবিদদর মতে, সুস্থ প্রাপ্তবয়স্করা সুষম খাদ্যের অংশ হিসাবে সপ্তাহে প্রায় তিন থেকে চারবার নিরাপদে দিনে একটি করে ডিম খেতে পারেন| শিশুরা সাধারণত প্রতিদিন একটি ডিম খেতে পারে, কারণ এটি প্রোটিন এবং পুষ্টি সরবরাহ করে যা সুস্থ বৃদ্ধি ও বিকাশে সহায়তা করে| যাদের উচ্চ কোলেস্টেরল বা হৃদরোগের সমস্যা রয়েছে তাদের সতর্ক হওয়া উচিত| প্রোটিন, ফল, শাক-সবজি এবং শস্যদানা মিশ্রিত একটি সুষম খাদ্যই সার্বিক সুস্থতার মূল চাবিকাঠি|


ডিম রান্নার স্বাস্থ্যকর উপায় বেছে নিন

আপনি কীভাবে ডিম রান্না করছেন, সেটিও একটি বড় বিষয়| খুব বেশি মাখন, ক্রিম বা চিজ ব্যবহার করলে ডিম ভারী হয়ে যেতে পারে এবং হজম করা কঠিন হতে পারে| এর পরিবর্তে অল্প তেলে ডিম সেদ্ধ, পোচ বা হালকা করে স&ক্র্যা¤^ল করলে তা হালকা এবং স্বাস্থ্যকর থাকে|