রবিবার ০৯ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৫শে শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৪ সফর ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নেই, বন্ধ তিন বিভাগের সেবা নাচোলে ঈদগাহ ও গোরস্থানের উন্নতি কল্পে আলোচনা সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে সারের জন্য ভোর থেকেই কৃষকের লাইন শিবগঞ্জে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় এমপি কেরামত আলীর শিবগঞ্জ বিজিবি’র অভিযানে জব্দ নেশাজাতীয় সিরাপ, গ্রেপ্তার একজন চাঁপাইনবাবগঞ্জে শ্বাসকষ্ট নিয়ে আরো ৩ শিশু হাসপাতালে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ৫৫ রোগী চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহভাজন ১ জন শনাক্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে আরো ৬ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা, মহানন্দা ও পুনভর্বার নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত
Printed on: August 09, 2026
March 25, 2026
আন্তর্জাতিক
আন্তর্জাতিক

অ্যান্টার্কটিকায় কয়েক শত ভূমিকম্প শনাক্ত

Published: March 25, 2026 at 04:05 AM
অ্যান্টার্কটিকায় কয়েক শত ভূমিকম্প শনাক্ত

পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম মহাদেশ অ্যান্টার্কটিকা। প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য মানুষের বসবাসের জন্য অনুপুযুক্ত হলেও বিশ্বের জলবায়ু ও জীবজগতের এক রহস্যের স্থান এই মহাদেশ। বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ স্বাদু পানির ভাণ্ডার এখানে হিমায়িত অবস্থায় পাওয়া যায়। আর এই পানি আটকে রাখা গ্লেসিয়ার বা হিমবাহ সাম্প্রতিক জলবায়ু বিপর্যয়ে পড়েছে হুমকির মুখে। এর মধ্যে অন্যতম অ্যান্টার্কটিকার থওয়াইটস গ্লেসিয়ার, যা ‘ডুমসডে গ্লেসিয়ার’ নামেও পরিচিত। এই হিমবাহে ২০১০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে কয়েক শত ভূমিকম্প, যা বিজ্ঞানীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। হিমবাহ থেকে যখন বিশালাকার বরফখণ্ড বিচ্ছিন্ন হয়ে সমুদ্রে পড়ে তখন কম ফ্রিকোয়েন্সির ভূকম্পীয় তরঙ্গ তৈরি হয়। যা মূলত গ্লেসিয়াল ভূমিকম্প হিসেবে পরিচিত। জিওগ্রাফিক্যাল রিসার্স লেটার্স জার্নালে প্রকাশিত এক নতুন গবেষণায় এই গ্লেসিয়াল ভূমিকম্পগুলোর বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করেছে। গবেষণাটিতে দেখা যায়, এসব ঘটনা ভবিষ্যতে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। গ্লেসিয়াল ভূমিকম্প সাধারণ ভূমিকম্পের মতো নয়। এতে উচ্চ-ফ্রিকোয়েন্সির ভূকম্পীয় তরঙ্গ থাকে না, ফলে এগুলো শনাক্ত করা তুলনামূলকভাবে কঠিন। প্রথমবারের মতো প্রায় ২০ বছর আগে উত্তর গোলার্ধে এগুলো আবিষ্কৃত হয়েছে। দ্যা কনভারসেশন-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে গবেষণার লেখক ও অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির জিওফিজিক্সের এআরসি ডিইসিআরএ ফেলো থ্যান-সন ফাম জানান, তিনি অ্যান্টার্কটিকায় স্থাপিত সিসমিক স্টেশন ব্যবহার করে ২০১০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে থওয়াইটস ও পাইন আইল্যান্ড গ্লেসিয়ারের কাছে ৩৬০টিরও বেশি গ্লেসিয়াল ভূমিকম্প শনাক্ত করেছেন। তিনি আরো জানান, সম্ভবত থওয়াইটস গ্লেসিয়ারের সামুদ্রিক প্রান্তে বরফখণ্ড সমুদ্রে ভেঙে পড়ার ফলে প্রায় ২৪৫টি ঘটনা ঘটেছে। এসব ভূমিকম্প গ্লেসিয়ারের দ্রুতগতির স্থানান্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, থওয়াইটস গ্লেসিয়ার সম্পূর্ণভাবে ধসে পড়লে, বৈশ্বিক সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রায় তিন মিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে। এ জন্য এই গ্লেসিয়াল ভূমিকম্পগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানা গেলে ভবিষ্যতে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও গ্লেসিয়ারের ভেঙে পড়ার বিষয়ে আরো ভালোভাবে পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হবে।