চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলাপর্যায়ে গ্রামআদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও করণীয় শীর্ষক অর্ধবার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে| জেলা প্রশাসন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও বাংলাদেশ গ্রামআদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের আয়োজনে মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়|
স্থানীয় সরকার বিভাগ চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপপরিচালক উজ্জ্বল কুমার ঘোষের সভাপতিত্বে সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী|
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, গ্রামআদালত আমাদের দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা, এটি একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থা| এক্ষেত্রে চেয়ারম্যানদের সকলকে একনিষ্ঠভাবে কাজ করতে হবে| কোনো দলের হয়ে কাজ করা যাবে না| অনেকেই এ আদালতের রায় মানে না বা বিচারের দিন উপস্থিত হন না| মনে করেন চেয়ারম্যান বা ইউনিয়ন পরিষদের কোনো ক্ষমতা নেই| তবে গ্রামআদালতে রায় না মানার এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে| যতদিন রায় মানার সংস্কৃতি না মানতে পারবে, ততদিন কোনো সমস্যার নিষ্পত্তি হবে না| তখন দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালতে হাজির হতে হবে| ভুক্তভোগীদের মধ্যে বিশ্বাস জন্মাতে হবে| গ্রামআদালত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে হিসাব সহকারী ও গ্রামপুলিশের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে এবং গ্রামআদালত সম্পর্কে হিসাব সহকারীদের আইন বিষয়ে আরো ভালোভাবে জানতে হবে|
সমš^য় সভায় সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারুফ আফজাল রাজন, গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির মুন্সি, সহকরী কমিশনার মো. সাব্বির আহমেদ রোবেল, গ্রামআদালত প্রকল্পের জেলা ম্যানেজার শফিকুর রহমানসহ বাংলাদেশ গ্রামআদালত সক্রিয়করণ তৃতীয় পর্যায় প্রকল্পের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন|
বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকার জনগণ বিশেষ করে নারী, জাতিগত সংখ্যালঘু এবং সুবিধাবঞ্চিত গোষ্ঠীর মানুষের ন্যায়বিচারের সুযোগ বৃদ্ধি করা হচ্ছে প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে ও সহযোগী সংস্থা ইকো সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অরগানাইজেশন ইএসডিওর জেলার ৫টি উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়নে প্রত্যক্ষভাবে বাংলাদেশ গ্রামআদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পে কাজ চলমান রয়েছে বলে জানান আয়োজকরা|