শনিবার ১৩ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৩০শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৭ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
Printed on: June 13, 2026
May 10, 2026
নিয়ামতপুর
নিয়ামতপুর

নিয়ামতপুরে শ্রমিক সংকটে মাঠে পড়ে আছে বোরো ধান

Published: May 10, 2026 at 02:05 PM
নিয়ামতপুরে শ্রমিক   সংকটে মাঠে পড়ে  আছে বোরো ধান

নওগাঁর নিয়ামতপুরে বোরো ধান কাটার মৌসুমে তীব্র শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। সময়মতো শ্রমিক না পাওয়ায় অনেক কৃষকের জমিতে পাকা ধান পড়ে থাকছে। এতে একদিকে যেমন ঝড়-বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর আশঙ্কা বাড়ছে, অন্যদিকে ছাতড়া বিলে উজানের পানিও বাড়ছে। ফলে ২০ হেক্টর জমির বোরো ধান নষ্ট হওয়ার শঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।

সরেজমিনে উপজেলার ছাতড়া বিলসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, শ্রমিকের চাহিদা বেশি থাকলেও শ্রমিক সংকট হওয়ায় দ্বিগুণ মজুরি দিয়েও শ্রমিক মিলছে না।  অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে বেশি খরচে ধান কাটছেন, আবার কেউ কেউ শ্রমিকের অপেক্ষায় জমিতেই ধান ফেলে রেখেছেন। আবার অনেকেই ধানের আশা ছেড়ে দিয়েছেন। এছাড়া বেশ কিছু জমির ধান মাটির সঙ্গে মিশে গেছে।

স্থানীয়রা জানান, নাকইল গ্রামের খোরশেদ আলমের ২ বিঘা, সিদাইন গ্রামের জিল্লুর রহমানের ৪ বিঘা, কাড়ালীপাড়ার লোকমান আলীর ৮ বিঘা, চাপড়া গ্রামের মুকবুলের ২০ বিঘা, কালুপুর গ্রামের গিয়াসের ২ বিঘা, একই গ্রামের টুটুলের দেড় বিঘাসহ আশপাশের আরো অনেকের প্রায় ২০ হেক্টর জমির ধান নষ্টের উপক্রম হয়েছে।

তারো আরো জানান, একসাথে ধান পাকা ও উজানের পানির ঢল জমিতে এসে পড়ায় এবং পাশাপাশি অন্য জেলায় শ্রমিক চলে যাওয়ায় স্থানীয়ভাবে সংকট বেড়েছে।

কাড়ালীপাড়ার কৃষক লোকমান বলেন, আমার ছাতড়া বিলের খালের ওই পারে ৮ বিঘা জমির ধান কাটার সময় হয়ে গেছে, কিন্তু শ্রমিক মিলছে না। কয়েকদিন বৃষ্টির কারণে আমার পাকা ধান পানিতে ভাসছে, ফলে নষ্টের উপক্রম হয়েছে। তিনি ধানের আশা ছেড়ে দিয়েছেন বলে জানান।

সিদাইন গ্রামের কৃষক জিল্লুর রহমান জানান, ছাতড়া বিলে তার চার বিঘা জমির ধান পানিতে ভাসছে। শ্রমিকের মজুরি এত বেড়েছে যে, ধান কাটতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। 

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, উপ-সহকারী কর্মকর্তার তথ্যমতে, ছাতড়া বিলে ৫ হেক্টর জমির ধান কাটতে বাকি রয়েছে।