বুধবার ১৪ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৯শে আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
Printed on: October 14, 2026
October 14, 2026
লাইফস্টাইল
লাইফস্টাইল

পাকা চুল ঢাকতে ব্যবহার করতে পারেন কফির প্যাক

Published: October 14, 2026 at 11:13 AM
পাকা চুল ঢাকতে ব্যবহার করতে পারেন কফির প্যাক

বয়স বাড়ার সঙ্গে চুল পাকার বিষয়টি স্বাভাবিক হলেও অনেকের ক্ষেত্রে তুলনামূলক কম বয়সেই চুলে পাক ধরতে শুরু করে। সাদা চুল ঢাকতে তখন অনেকে নিয়মিত হেয়ার কালার ব্যবহার করেন। তবে রাসায়নিক রঙের পরিবর্তে ঘরোয়া উপায়ে চুলে সাময়িকভাবে গাঢ় আভা আনতে কফি ব্যবহারের চল রয়েছে। তবে মনে রাখা দরকার, কফি ব্যবহার করলেই পাকা চুল স্থায়ীভাবে কুচকুচে কালো হয়ে যায়, এমন কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। এগুলো মূলত চুলে সাময়িকভাবে গাঢ় বাদামি বা কালচে আভা দিতে পারে। তাই ব্যবহারের আগে প্রত্যাশাটা বাস্তবসম্মত রাখা জরুরি। কফিতে ক্যাফেইনসহ বিভিন্ন যৌগ রয়েছে। কিছু গবেষণায় ক্যাফেইনের সঙ্গে চুলের বৃদ্ধির সম্ভাব্য সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হলেও, কফি দিয়ে পাকা চুল স্থায়ীভাবে কালো করা বা চুলের গোড়া শক্ত করার দাবি নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত নয়। ঘরোয়া ব্যবহারের জন্য কফির একটি মিশ্রণ তৈরি করা যায়। এর জন্য প্রয়োজন এক কাপ কফি পাউডার, দুই কাপ গরম পানি, দুই টেবিল চামচ হেয়ার কন্ডিশনার, একটি কাচের বাটি এবং একটি হেয়ার ব্রাশ। প্রথমে কাচের বাটিতে দুই কাপ গরম পানি নিয়ে তাতে কফি পাউডার মিশিয়ে নিতে হবে। মিশ্রণটি ঠান্ডা হওয়ার পর এতে হেয়ার কন্ডিশনার মিশিয়ে সব উপকরণ ভালোভাবে এক করে নিতে হবে। শ্যাম্পু করার পর চুল কয়েক ভাগ করে ব্রাশের সাহায্যে কফির মিশ্রণটি চুলে লাগিয়ে নিতে হয়। প্রায় এক ঘণ্টা রেখে শুধু পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। তবে সঙ্গে সঙ্গে শ্যাম্পু না করাই ভালো। এই ধরনের রং স্থায়ী হয় না; চুল ধোয়ার সঙ্গে সঙ্গে রং ধীরে ধীরে হালকা হয়ে যেতে পারে। তাই কেউ এটি ব্যবহার করতে চাইলে নিয়মিত পুনরায় প্রয়োগ করতে হতে পারে। কফির মতো ঘরোয়া উপাদান সবার চুলে একই ফল দেয় না। বিশেষ করে পাকা চুল পুরোপুরি কালো করার নিশ্চয়তা নেই। মাথার ত্বকে অ্যালার্জি বা সংবেদনশীলতা থাকলে ব্যবহারের আগে অল্প জায়গায় পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো এবং চোখের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে। এ ছাড়া চুল পড়া, অল্প বয়সে দ্রুত চুল পেকে যাওয়া বা মাথার ত্বকে কোনো সমস্যা থাকলে শুধু ঘরোয়া রঙের ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।