মঙ্গলবার ২৩ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৯ই আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ৭ মহররম ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
বই আলোচনা : আগামী দিনের পথ চলার পাথেয় শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে প্রতি মাসে ৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাবেন পুলিশ সুপার গোমস্তাপুরে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা : রাবেয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী :মাঠে ছিল বিএনপি মাদককে লাল কার্ড দেখালেন হামিদুল্লাহর শিক্ষার্থীরা চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু সুরক্ষার লক্ষে মতবিনিময় সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জে উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও বাজার সংযোগ বিষয়ক আবাসিক প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে পানি সংকট মোকাবেলায় এশিয়ার সব দেশকে এগিয়ে আসার আহ্বান স্পিকারের প্রাথমিকে শিক্ষক বদলি ও পদায়নে চার স্তরের কমিটি গঠন আইসিসির মাস সেরা খেলোয়াড় মনোনীত হলেন মুশফিক
Printed on: June 23, 2026
April 27, 2026
জাতীয়
জাতীয়

লিগ্যাল এইড সুবিধা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চায় সরকার : আইনমন্ত্রী

Published: April 27, 2026 at 05:38 PM
লিগ্যাল এইড সুবিধা মানুষের   দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে  চায় সরকার : আইনমন্ত্রী

জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে ঢাকার কড়াইল বস্তিতে সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে ভ্রাম্যমাণ লিগ্যাল এইড ক্যাম্প উদ্বোধন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

এ সময় তিনি জানান, সরকারের লক্ষ্য হলো, দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় লিগ্যাল এইড সুবিধা পৌঁছে দেওয়া।

আইনমন্ত্রী বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে পরিচালিত এই কর্মসূচিতে জার্মান সরকার অংশীদার হিসেবে যুক্ত রয়েছে এবং তাদের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় সারা দেশে এটি বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই যৌথ উদ্যোগ দেশের প্রান্তিক মানুষের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৯৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে বাংলাদেশে লিগ্যাল এইড কার্যক্রমের সূচনা হয়। পরবর্তীতে তারেক রহমানের উদ্যোগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করা হয় এবং বর্তমান সংসদ অধিবেশনেই লিগ্যাল এইড আইন পাস হয়েছে।

আইনমন্ত্রী জানান, নতুন এই কর্মসূচির আওতায় শুধু দরিদ্র ও অসহায় মানুষই নয়, বরং রাজনৈতিক সহিংসতা ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি, পঙ্গুত্ববরণকারী, মামলায় জর্জরিত নাগরিকদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, শহীদদের স্বজন এবং আহতদের জন্যও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।

নারী ও শিশুদের সুরক্ষার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। যৌন নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হলেও যারা অর্থনৈতিক বা সামাজিক কারণে আইনি সহায়তা নিতে পারেন না, তাদের জন্য এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দেবে।

আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই, লিগ্যাল এইড সুবিধা দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাক। এটি প্রধানমন্ত্রীর ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই উদ্যোগের বার্তা দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে হবে, যাতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে পারে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা পেতে পারে।

এসময় মোস্তাকিমা আক্তার ও হাওয়া বেগম নামের দুজন নারীকে আইনমন্ত্রী তাৎক্ষণিক আইনি পরামর্শ প্রদান করেন। একইসাথে বস্তিবাসীর বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনে তার সমাধানের জন্য দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

শেষে তিনি এই কর্মসূচিতে সহযোগিতার জন্য জার্মান সরকারকে ধন্যবাদ জানান এবং সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।