চাঁপাইনবাবগঞ্জে শুক্রবার বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেলা প্রশাসন ও জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমি।
আলোচনা সভায় বক্তারা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী উল্লেখ করে তাঁর জীবন ও কর্মের ওপর আলোকপাত করেন।
সকাল ১০টায় জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আলোচনা করেন জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নাকিব হাসান তরফদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন— পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ.এন.এম. ওয়াসিম ফিরোজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বিপ্লব কুমার মজুমদার, নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বাংলা বিভাগের প্রধান মো. গোলাম মোস্তফা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা কালচারাল অফিসার শাহাদৎ হোসেন।
জেলা প্রশাসক তার আলোচনায় উল্লেখ করেন, রবীন্দ্রনাথ ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক। তার প্রমাণ পাওয়া যায়, যখন তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার রবীন্দ্রনাথকে নাইট উপাধি প্রদান করে এবং তিনি সেই উপাধি প্রত্যাখ্যান করেন। কারণ, সেই সময়ে ব্রিটিশ সরকারের পুলিশ বাহিনী অবিভক্ত ভারতের জালিওয়ানাবাগে নির্বিচারে মানুষ হত্যা করে। সেই ক্ষোভে তিনি নাইট উপাধি প্রত্যাখ্যান করেন।
তিনি আরো বলেন— তাঁর লেখা ছড়া ‘আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে’সহ আরো অনেক কবিতা আমরা সেই ছোটবেলা থেকেই পড়ে আসছি। তাঁর একটি লেখা গানই আমাদের জাতীয় সংগীত। এমনকি ভারতীয় জাতীয় সংগীতও তাঁরই লেখা।
আলোচকগণ কবিগুরুর জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।