শনিবার ০৯ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৬শে বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২২ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর : চাঁপাইনবাবগঞ্জে আলোচনাকালে বক্তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জে হাম সন্দেহভাজন আরো ১০ শিশু ভর্তি বারঘরিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে ইয়াবা ও হেরোইন জব্দ, তিনজন আটক চাঁপাইনবাবগঞ্জে কমছে ডায়ারিয়া আক্রান্তের হার ক্ষুদ্র জাতিসত্তার মানুষদের সমস্যার কথা শুনলেন মুজিবুর রহমান এমপি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করায় আনন্দ মিছিল চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত আরো ৬৪ জন রহনপুর পৌর নির্বাহী কর্মকর্তার অবসরজনিত বিদায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে শেষ হলো নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের ৮ ইভেন্টের জমজমাট আসর চাঁপাইনবাবগঞ্জে হাম সন্দেহভাজন ৯ শিশু হাসপাতালে ভর্তি
Printed on: May 09, 2026
March 25, 2026
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর

ঈদের ছুটিতেও ৫৪০ মা ও শিশুকে দেয়া হয়েছে স্বাস্থ্য সেবা

Published: March 25, 2026 at 04:53 AM
ঈদের ছুটিতেও ৫৪০ মা ও শিশুকে দেয়া হয়েছে স্বাস্থ্য সেবা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ঈদুল ফিতরের ছুটিতেও জরুরি প্রসূতি সেবা কার্যক্রম চালু রেখেছিল পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ। গত ১৭ মার্চ হতে ২৩ মার্চ দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা সেবা কেন্দ্র এবং মডেল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র চালু রাখা হয়।
এ সময়ে জেলায় প্রসব-পূর্ব ১৪৬ জন মাকে সেবা দেয়া হয় এবং স্বাভাবিক প্রসব সেবা দেয়া হয় ৪৮ জনকে। এছাড়া প্রসব পরবর্তী ৮৩ জন, নবজাতকের সেবা ৭৩ জন এবং মা ও শিশু পরিচর্যা সেবা দেয়া হয় ১৯০ জনকে।
এছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে আগত সেবাগ্রহীতাদের মধ্য থেকে প্রসব-পূর্ব ৩ জনকে সেবা, স্বাভাবিক প্রসব সেবা ৬ জনকে, প্রসব-পরবর্তী সেবা ৭ জনকে, নবজাতকের সেবা ৬ জনকে এবং মা ও শিশু পরিচর্যা সেবা ২২ জনকে দেয়া হয়েছে। এই ৭ দিন ছুটিকালীন জেলায় মোট ৫৪০ জনকে মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা দেয়া হয়েছে।
জেলার মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রমটি তদারকি করেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক শুকলাল বৈদ্য ও সহকারী পরিচালক (সিসি) ডা. আবু সাঈদ মুহাম্মদ মাসুদ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক শুকলাল বৈদ্য এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে জেলার প্রসূতি মা ও নবজাতকের কথা বিবেচনায় রেখে ঈদুল ফিতরের ছুটির মধ্যেও জেলার সেবা কেন্দ্র এবং মডেল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলো চালু রাখা হয়েছে, যাতে সেবাগ্রহীতারা এই সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়।