চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের জামতলা এলাকায় এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবিএইউবি) নিজস্ব ক্যাম্পাসের অবকাঠামো নির্মাণ কাজ আগামী ডিসেম্বর বা জানুয়ারি থেকে শুরু হবে। বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য প্রফেসর. ড. সফিকুল বারী মঙ্গলবার বড় ইন্দা মোড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই তথ্য জানান।
আজ বুধবার এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এই আলাপের আয়োজন করেন বিশ্ববিদ্যালয়। উপাচার্য বলেন—প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের অন্যান্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে কম খরচে শিক্ষার্থীরা এখানে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে। ২০১৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বড় ইন্দারা মোড়ে অস্থায়ী ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় বড় ইন্দারা মোড়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করা হবে। সকাল ১০ টায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ফ্ল্যাশমব অনুষ্ঠিত হবে। সকাল সাড়ে ১০টায় র্যালি বের হবে এবং শহীদ সাটু অডিটরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মিলিত হবে।
উপাচার্য আরো জানান, এক্সিম ব্যাংক যে হেতু এখন সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক হয়েছে সে হেতু ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদও পরিবর্তন হয়েছে। কাজেই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নামও পরিবর্তন হতে যাচ্ছে। তবে এখনই নতুন নাম চূড়ান্ত হয় নি।
উপাচার্য সফিকুল বারী জানান, বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বি এস এগ্রিকালচার, বি এস এগ্রিকালচারাল ইকোনমিক্স, বিবিএ, এলএলবি (অনার্স) ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগ চালু রয়েছে। এসব বিভাগে বর্তমানে ৮ শাতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছেন এবং শিক্ষক রয়েছেন শতাধিক। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার গুণগত মান অত্যন্ত ভালো এবং অনেকেই কোরিয়া, মালোশিয়া জাপানসহ বিভিন্ন দেশে স্কলারশিপ নিয়ে পড়া শোনা করতে যাচ্ছে। অনেকেই শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও দিনাজপুরের হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পাচ্ছে।
উপাচার্য সফিকুল বারী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রেজারার প্রফেসর ড, মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম ও রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. জিয়াউল আহসান ক্যাপ্টেন (অব.) বিএন।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই বর্ণাঢ্য আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জন তুলে ধরার পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে জ্ঞানচর্চা, গবেষণা এবং উদ্ভাবনী কার্যক্রমে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে আশা করা হচ্ছে।