চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণসচেতনতা সৃষ্টি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়েছে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ। অন্যদিকে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান চালিয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা।
বুধবার সকালে পৃথকভাবে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজে কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. সেরাজ উদ্দীন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ও পৌরসভার প্রশাসক উজ্জ্বল কুমার ঘোষ।
সভা শেষে ডেঙ্গু প্রতিরোধে গণসচেতনতা সৃষ্টি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচির অংশ হিসেবে কলেজ ক্যাম্পাসে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দেয়।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন— উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. আমিনুল ইসলাম, গণিত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মো. নিয়ামত আলী এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফরহাদ আহমেদসহ অন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ।
অভিযান চলাকালীন ক্যাম্পাসের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করা হয় এবং ডেঙ্গুমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখতে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়।
অন্যদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে। মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের এ র্যালিটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে বুধবার সকাল ১০টায় পৌর চত্বর থেকে হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মসজিদপাড়া মহল্লা প্রদক্ষিণ করে। এসময় আশপাশে থাকা নাগরিকের হাতে লিফলেট দেয়া হয়।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে পৌরসভার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান, রাস্তার আশপাশের ময়লা-আবর্জনা এবং মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থলে ওষুধ দিয়ে স্প্রে করা হয়।
র্যালি শেষে পৌরসভা প্রাঙ্গণে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন— পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মামুন-অর-রশীদ। তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধের ক্ষেত্রে সামাজিক সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য অপসারণ কাজসহ ডেঙ্গু নিধন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি এডিস মশার বংশবিস্তারস্থল ধ্বংস করার কার্যক্রম চলছে। নাগরিকের দায়িত্ব পৌরসভাকে সুন্দর এবং স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন— পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী তৌফিকুর ইসলাম, শহর পরিকল্পনাবিদ ইমরান হোসেন, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আহসান হাবীব, স্যানেটারি ইন্সপেক্টর গোলাম ফারুক, কনজারভেন্সি ইন্সপেক্টর রোজিবুল হক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর কর্মচারী সংসদের সভাপতি এনামুল হক ও সম্পাদক আব্দুল আজিজ খানসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী।