শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৭শে ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
Printed on: September 11, 2026
September 10, 2026
বিনোদন
বিনোদন

ফিলিস্তিনের পক্ষে সরব হওয়ায় কাজ হারান সুসান সারান্ডন

Published: September 10, 2026 at 10:07 AM
ফিলিস্তিনের পক্ষে সরব হওয়ায় কাজ হারান সুসান সারান্ডন

ফিলিস্তিনের পক্ষে সরব হওয়ার কারণে এখনও পেশাগতভাবে ক্ষতির মুখে পড়ছেন বলে জানিয়েছেন অস্কারজয়ী অভিনেত্রী সুসান সারান্ডন। তার দাবি, গাজা যুদ্ধের সময় ফিলিস্তিনিদের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ার পরও হলিউডের কিছু অংশে তাকে এড়িয়ে চলার প্রবণতা রয়েছে। সম্প্রতি ইতালির ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে নিজের নতুন সিনেমা ‘দ্য ইকো চেম্বার’র প্রচারে গিয়ে এ বিষয়ে কথা বলেন ৭৯ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সারান্ডন বলেন, ফিলিস্তিন নিয়ে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক এবং ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া অর্থসহায়তার বিষয়টি অনেকের কাছে এখন আগের চেয়ে স্পষ্ট হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষায়, ফিলিস্তিনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মানুষের ধারণায় বড় পরিবর্তন এসেছে। তবে জনমতের এই পরিবর্তনের পরও পেশাগত ক্ষেত্রে তার জন্য পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলায়নি। সারান্ডন বলেন, সাম্প্রতিক সময়েও তার কিছু সিনেমার কাজ হাতছাড়া হয়েছে। তার দাবি, কিছু এজেন্সি এখনও প্রযোজনা সংশ্লিষ্টদের তাকে নিয়োগ না দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে। অভিনেত্রীর ভাষ্য, বড় স্টুডিওগুলোর ক্ষেত্রে ইসরায়েলবিরোধী অবস্থান প্রকাশ্যে তুলে ধরা ব্যক্তিদের কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে এখনও বাধা রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিকভাবে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে তিনি যে উষ্ণতা পাচ্ছেন, তাতে সন্তুষ্ট বলেও জানান সারান্ডন। তিনি বলেন, দ্য ইকো চেম্বার সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ দেওয়ার জন্য পরিচালক আন্দ্রেয়া পাল্লাওরোর প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। এ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সারান্ডন বলেন, তিনি নিজের ‘পরিবার’ ও ‘নিজের মানুষদের’ খুঁজে পেয়েছেন এবং তিনি ভালো আছেন। তার এই বক্তব্যের পর সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছ থেকে দীর্ঘ সময় করতালি আসে। সারান্ডনের নতুন সিনেমা দ্য ইকো চেম্বার ইতালীয় নির্মাতা বের্নার্দো বের্তোলুচ্চির শেষ চিত্রনাট্যের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত। এতে একজন বয়স্ক গায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। গল্পে দেখা যায়, মাদকাসক্তি থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা এক সংগীত প্রযোজককে নিজের নতুন অ্যালবামের কাজে যুক্ত করেন ওই গায়িকা। সিনেমাটি ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবের গোল্ডেন লায়ন পুরস্কারের জন্য প্রতিযোগিতায় থাকা ২১টি ছবির একটি।