কাজী নজরুল ইসলাম শুধু বিদ্রোহের কবি ছিলেন না, তিনি ছিলেন মানবতার কবি, প্রেমের কবি এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার অন্যতম ধারক। তাঁর সাহিত্য ও সংগীতে নিপীড়িত মানুষের মুক্তির আকাক্সক্ষা, সাম্যের বাণী এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষা শক্তভাবে উঠে এসেছে। তিনি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে সাম্প্রদায়িকতা, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে আজীবন কলম ধরেছেন। কাজী নজরুল সাম্প্রদায়িক বিভেদের বিরুদ্ধে মানবতার জয়গান গেয়েছেন। তাই বাংলা সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতিতে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
মঙ্গলবার জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমি মিলনায়তনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বক্তাদের আলোচনায় এসব কথা উঠে আসে।
সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসন ও জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমি এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
‘দ্রোহের কবি, প্রাণের কবি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে আলোচনা করেন জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক উজ্জ্বল কুমার ঘোষ।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. নাকিব হাসান তরফদারের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনা করেনÑ পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্¦াস, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. সুলতানা পাপিয়া।
আলোচক হিসেবে কবির জীনাদর্শের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বিপ্লব কুমার মজুমদার।
শেষে সংগীত, কবিতা ও নৃত্য পরিবেশন করা হয়।