বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৬ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
এল নিনোর প্রভাবে পেরুতে দাবানলে ১২ জনের মৃত্যু চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ স্বাস্থ্য সচিবের চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৫ দুস্থের মধ্যে আড়াই লাখ টাকার চেক বিতরণ শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গোৎসব সম্পন্ন হওয়ায় কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন পুলিশ সুপারের চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে আরো ৪১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত : ছাড়পত্র ২৬ জনকে, ভর্তি রোগী ১২৮ জন সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন : ভারতে যাওয়ার সময় যুব মহিলা লীগ নেত্রী আটক বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি ও সহিংসতা হ্রাস পেয়েছে : যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিবেদন অবৈধ মোবাইল ফোনে রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে চালু হচ্ছে এনইআইআর আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে : ভোলায় সাংবাদিকদের স্পিকার
Printed on: October 22, 2026
October 22, 2026
খেলাধুলা
খেলাধুলা

অভিষেকেই প্রশ্নবিদ্ধ হলো আলিসের বোলিং অ্যাকশন

Published: October 22, 2026 at 12:55 PM
অভিষেকেই প্রশ্নবিদ্ধ হলো আলিসের বোলিং অ্যাকশন

ওয়ানডে অভিষেক হলো দীর্ঘদিনের অপেক্ষা পর। তবে অভিষেক ম্যাচ খেলেই প্রশ্নবিদ্ধ আলিস আল ইসলামের বোলিং অ্যাকশন। বাংলাদেশের এই মিস্ট্রি স্পিনারের বোলিং অ্যাকশন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার বিষয় নিশ্চিত করেছে আইসিসি। নিজেকে ত্রুটিপূর্ণ প্রমাণে পরীক্ষা দিতে হবে এই স্পিনারকে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি জানায়, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজায় ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশের অফ স্পিনার আলিস আল ইসলামের বিরুদ্ধে। ম্যাচ কর্মকর্তাদের প্রতিবেদনে ২৯ বছর বয়সী এই স্পিনারের বোলিং অ্যাকশনের বৈধতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।’ অর্থাৎ, বল ডেলিভারির সময় আলিসের কনুই ১৫ ডিগ্রির বেশি বেঁকে যায়। আইসিসির জানায়, ‘আইসিসির অবৈধ বোলিং অ্যাকশনসংক্রান্ত নীতিমালা অনুযায়ী, আলিসকে আইসিসি স্বীকৃত পরীক্ষাকেন্দ্রে স্বাধীন মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। সন্দেহজনক অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগে অভিযুক্ত বোলারদের পর্যালোচনার বিষয়ে আইসিসির নীতিমালার বিস্তারিত তথ্য নির্ধারিত ওয়েবপেজে পাওয়া যাবে।’ অবৈধ বোলিং অ্যাকশন বলতে বোঝায়, কোনো বোলার বল ছোড়ার পরিবর্তে বল থ্রো করা। আইসিসির সংজ্ঞা অনুযায়ী, বোলিংয়ের সময় বোলারের হাত কাঁধের সমান্তরালে পৌঁছানো থেকে বল ছাড়ার মুহূর্ত পর্যন্ত কনুই ১৫ ডিগ্রির বেশি প্রসারিত হলে সেটিকে অবৈধ বোলিং অ্যাকশন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তা-ই হয়েছে আলিসের, দাবি ম্যাচ অফিসিয়ালদের। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ম্যাচ অফিসিয়ালরা খালি চোখে পর্যবেক্ষণ এবং নিজেদের ক্রিকেটীয় অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে কোনো বোলারের বোলিং অ্যাকশন অবৈধ বলে সন্দেহ করছেন কি না, তা নির্ধারণ করেন। সন্দেহ হলে তারা সংশ্লিষ্ট বোলারের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন জমা দেন। আফগানিস্তান ম্যাচ শেষে সেই রিপোর্টই করা হয়েছে আলিসের বিরুদ্ধে। অবশ্য তাই বলে আলিসের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। অভিযোগ ওঠার পর আইসিসি স্বীকৃত পরীক্ষাকেন্দ্রে আধুনিক প্রযুক্তি এবং মানবদেহের নড়াচড়া নিয়ে বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে তার বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষা করা হবে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে, তার বোলিং অ্যাকশন সত্যিই অবৈধ কি না। পরীক্ষায় বোলিং অ্যাকশন অবৈধ প্রমাণিত হলে, তা সংশোধন করে পুনরায় পরীক্ষায় সফল না হওয়া পর্যন্ত অবশ্য তাকে বোলিং থেকে নিষিদ্ধ রাখা হবে।