শনিবার ১০ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৫শে আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৭ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
রহনপুর স্টেশন বাজার সমিতির নির্বাচনে মজিবুর সভাপতি, আব্বাস সম্পাদক শিবগঞ্জে পদ্মার ভাঙন রোধে পানি সম্পদমন্ত্রীকে ডিও লেটার ড. সাইমুমের মতবিনিময়কালে ডেঙ্গু চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আনার দাবিসহ ১২ সুপারিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার সভাপতির চাঁপাইনবাবগঞ্জের পাঁকা ও দুর্লভপুরে জেলা পরিষদের ত্রাণ বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে আরো ৩১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে শ্বাসকষ্ট নিয়ে ৬ শিশু হাসপাতালে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু শিবগঞ্জে আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রশাসনের সহায়তা রহনপুরে পোসালু উৎসবে মেতে উঠল ৮০ শিশু ভোলাহাটে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বাইসাইকেল আরোহী নিহত
Printed on: October 10, 2026
August 26, 2026
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঈদে মিলাদুন নবী (সা.) পালিত

Published: August 26, 2026 at 12:52 PM
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঈদে মিলাদুন নবী (সা.) পালিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বুধবার (২৬ আগস্ট) ১২ রবিউল আউয়াল বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করেছে জেলা প্রশাসন, ইসলামি ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও ইসলামি ফাউন্ডেশন আলোচনা সভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমান ও জেলা ইসলামি ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক গোলাম মোস্তফা। নবীজীর জীবন কর্ম নিয়ে আলোচনা করেন জেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পেশ ইমাম মাওলানা মোক্তার আলী ও সদর উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পেশ ইমাম মাওলানা মাহবুবুর রহমানসহ অন্যরা।

অন্যদিকে নবাবগঞ্জ সরকারি বালিকা উ্চ্চ বিদ্যালয়ের উদ্যোগে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র শিক্ষক  মো. কামারুজ্জামান। উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র শিক্ষক মো. আব্দুর রশিদ, মো. মাসুূদ রানা, মোসা. সালেহা খাতুন, সহকারী শিক্ষক মো. আব্দুল হান্নান, মাজেদুর রহমান, মো. আব্দুর রহমান, ইসমাইল হোসেন,মু. রাসেদুল ইসলাম,আর. এম. আনোয়ার জাহান, উত্তম কুমার বর্মন, লাইলি খাতুন, মোছা. রীতা খাতুন। অনুষ্ঠানে আলোচনা ও দোয়া করেন সিনিয়র শিক্ষক মুফতী হানিফ মোহা. আব্দুল কাদের। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সিনিয়র শিক্ষক মো. শফিউল আজম। অনুষ্ঠানে দিবা ও প্রভাতি শিফটের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। বিদ্যালয়ের হলনুমে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অপরদিকে কিরাত, হামদ-নাত প্রতিযোগিতা,  পুরস্কার বিতরণ,  আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের মধ্য দিয়ে বুধবার বাবুডাইং আলোর পাঠশালায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালন করা হয়েছে।  রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বাবুডাইং আলোর পাঠশালা বিদ্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষে সকাল ১০টায় বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে হামদ-নাত ও কিরাত প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এসময় চারটি ক্যাটাগরিতে হামদ-নাত ও কিরাত প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় শিক্ষার্থীরা।  প্রতিযোগিতা শেষে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। 
অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন থেকে তেলাওয়াত করে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মুসলিমা খাতুন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী উজ্জামান নূরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক শংকর চন্দ্র দাস। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের জৈটকাপাড়ার জামিয়া সালাফিয়া নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুস ও বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক শিরিনা খাতুন। 
এরপর প্রতিযোগিতার  ২০ জন বিজয়ীকে পুরস্কার হিসেবে শিক্ষা উপকরণ তুলে দেয়া হয়। পুরস্কার বিতরণ শেষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।  অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী শিক্ষক নয়ন আহমেদ।
শেষে সকলকে নিয়ে দোয়ার আয়োজন করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন আব্দুল কুদ্দুস।

প্রসঙ্গত, সারা বিশ্বের মুসলমানরা এই দিনটিকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হিসেবে পালন করেন। 

হজরত মুহাম্মদ (সা.) পৃথিবীতে এসেছিলেন তাওহিদের মহান বাণী নিয়ে। প্রচার করেছেন শান্তির ধর্ম ইসলাম। তাঁর আবির্ভাব এবং ইসলামের শান্তির বাণীর প্রচার সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করে। সৌদি আরবের মক্কা নগরের বিখ্যাত কুরাইশ বংশে ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দের এই দিনে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) জন্মগ্রহণ করেন। ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দের একই দিনে তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন। 

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বাবা আবদুল্লাহ ও মা আমিনা। জন্মের আগেই রাসুল (সা.) তাঁর বাবাকে হারান এবং ছয় বছর বয়সে তিনি মাতৃহারা হন। সমগ্র আরব জাহান যখন পৌত্তলিকতা ও অনাচারের অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল, সেই আইয়ামে জাহেলিয়ার যুগে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)কে সারা বিশ্বজগতের জন্য রহমতস্বরূপ পাঠিয়েছিলেন সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহ। বিনয়, সহিষ্ণুতা, দয়া, সহমর্মিতাসহ সব মানবিক সদ্গুণের সর্বোচ্চ বিকাশ ঘটেছিল হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর মধ্যে। শ্রেষ্ঠ মানবিক গুণাবলির অধিকারী হিসেবে তিনি ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সর্বকালে সর্বজনস্বীকৃত।