বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর বঙ্গভবনে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে শপথবাক্য পাঠ করিয়েছে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
শপথ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেছেন মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গণি।
শপথ গ্রহণ উপলক্ষে প্রথমে বঙ্গভবনে আসেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এরপর বিকাল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে বঙ্গভবনে প্রবেশ করে নতুন রাষ্ট্রপতির গাড়িবহর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ৬টা ২৫ মিনিটের বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সবাই প্রবেশ করেন বঙ্গভবনের দরবার হলে। এখানেই অনুষ্ঠিত হয় শপথগ্রহণ। অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য, বিদেশী কূটনীতিক, সংসদ সদস্য এবং বেসামরিক ও সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
শপথ অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর কোরআন তিলাওয়াত করা হয়। এরপর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতির শপথবাক্য পাঠ করান ভারপ্রাপ্ত স্পিকার।
শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার জন্য প্রায় দেড় হাজার আমন্ত্রণপত্র বিলি করা হয়েছে বলে বঙ্গভবন ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে।
এদিকে, বিকেল থেকেই শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বঙ্গভবনে আসতে শুরু করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। নিরাপত্তার অংশ হিসেবে বঙ্গভবন ও আশপাশের এলাকায় ছিল বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা।
বঙ্গভবনের আচার অনুষ্ঠানের রীতি অনুসারে, রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ নেয়ার পর শপথ বইয়ে সই করতে বসেন। এ সময় দুই চেয়ারে পাশাপাশি বসেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ও ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল।
গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। সংবিধান অনুসারে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। আর স্পিকারের দায়িত্ব নেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।