বুধবার ২৬ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১১ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে চালু অটোমেশন পদ্ধতি শিবগঞ্জে ৫৯ বিজিবির পৃথক অভিযানে ২৪ দিনের ব্যবধানে আবারো জব্দ ভারতীয় ট্রাকের যন্ত্রাংশ জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট : ৫ম দিনের খেলায় ৬-০ গোলে জয় পেল গোমস্তাপুর দেশে সারের সংকট নেই পর্যাপ্ত মজুত আছে : তথ্য উপদেষ্টা চলতি অর্থবছরেই দেশের সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জরিমানা ছাড়া গাড়ির কাগজপত্র নবায়নের শেষ সময় ২৯ অক্টোবর জয় দিয়ে নতুন মৌসুম শুরু করল চেলসি তদন্তের মুখে পড়ে দল থেকে ছিটকে গেলেন ইংলিশ পেসার বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট নিয়ে ব্রডের বিস্ফোরক দাবি দেড় লাখ টাকার ‘খালি পায়ের জুতা’ পড়ে নজর কাড়লেন মার্গারেট কোয়ালি
Printed on: August 26, 2026
June 29, 2026
বিনোদন
বিনোদন

মারা গেছেন বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার

Published: June 29, 2026 at 10:55 AM
মারা গেছেন বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার

বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই| গত সোমবার সকালে নিউমোনিয়াজনিত জটিলতা নিয়ে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে| মৃত্যুকালে এই গুণী শিল্পীর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর| তার মৃত্যুর খবরে সহকর্মীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে| পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ফুসফুসে মারাত্মক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ নিয়ে গত ১৪ জুন থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন মুস্তাফা মনোয়ার| সে সময় তার রক্তচাপ ও অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়ায় জরুরি বিভাগের চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে দ্রুত আইসিইউতে ভর্তি করা হয়| সেখানে প্রায় দুই সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি শেষনিশ^াস ত্যাগ করেন| মুস্তাফা মনোয়ার ১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টে¤^র মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন| তার ˆপতৃক নিবাস ঝিনাইদহ জেলার ˆশলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে| তার বাবা প্রয়াত কবি গোলাম মোস্তফা এবং মা জমিলা খাতুন| নারায়ণগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাসের পর তিনি কলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেজে ভর্তি হন| পরবর্তীতে সেখান থেকে সরে এসে কলকাতা চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং ১৯৫৯ সালে ফাইন আর্টসে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন| ভারত থেকে পড়াশোনা শেষ করে দেশে ফেরার পর শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের পরামর্শে তিনি আর্ট কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন| শিক্ষকতার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করলেও পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপ-মহাপরিচালক, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক, জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (এফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন| চিত্রকলার পাশাপাশি টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাণ, শিশুতোষ বিনোদন এবং সাংস্কৃতিক বিকাশে তার অসামান্য অবদানের ¯^ীকৃতি¯^রূপ ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন| এছাড়া দেশ-বিদেশের নানা সম্মাননা ও পুরস্কার অর্জন করেন তিনি|