শনিবার ১০ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৫শে আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৭ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
রহনপুর স্টেশন বাজার সমিতির নির্বাচনে মজিবুর সভাপতি, আব্বাস সম্পাদক শিবগঞ্জে পদ্মার ভাঙন রোধে পানি সম্পদমন্ত্রীকে ডিও লেটার ড. সাইমুমের মতবিনিময়কালে ডেঙ্গু চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আনার দাবিসহ ১২ সুপারিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার সভাপতির চাঁপাইনবাবগঞ্জের পাঁকা ও দুর্লভপুরে জেলা পরিষদের ত্রাণ বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে আরো ৩১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে শ্বাসকষ্ট নিয়ে ৬ শিশু হাসপাতালে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু শিবগঞ্জে আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রশাসনের সহায়তা রহনপুরে পোসালু উৎসবে মেতে উঠল ৮০ শিশু ভোলাহাটে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বাইসাইকেল আরোহী নিহত
Printed on: October 10, 2026
August 23, 2026
আন্তর্জাতিক
আন্তর্জাতিক

নাইজেরিয়ায় মসজিদে হামলা চালিয়ে ৬০ জনকে অপহরণ

Published: August 23, 2026 at 02:04 PM
নাইজেরিয়ায় মসজিদে হামলা চালিয়ে ৬০ জনকে অপহরণ

নাইজেরিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় নাইজার রাজ্যে একটি মসজিদ ও আশপাশের কয়েকটি গ্রামে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে বহু মানুষকে অপহরণ করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কতজনকে অপহরণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মসজিদে নামাজরত ৬০ জনের বেশি মুসল্লিকে অপহরণ করা হয়েছে। তবে এই সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা। গত শনিবার পুলিশ মুখপাত্র ওয়াসিউ আবিওদুন জানান, স্থানীয় সময় গত শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে বর্গু স্থানীয় সরকার এলাকার দেকারা জেলায় অবস্থিত কপেনিয়া মসজিদে হামলা চালায় সশস্ত্র ব্যক্তিরা। এর আগে তারা গিদান-জানা ও কপেনিয়া গ্রামেও হামলা চালায়। পুলিশ জানিয়েছে, অপহরণের বিষয়টি তারা জানতে পেরেছে। তবে হামলায় কেউ নিহত হওয়ার খবর এখনো পুলিশের কাছে নিশ্চিতভাবে আসেনি। পরিস্থিতি মূল্যায়ন ও অপহৃতদের উদ্ধারে এলাকায় একটি যৌথ নিরাপত্তা দল মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, হামলায় কয়েকজন নিহতও হয়েছেন। হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া জিব্রিল আহমাদ এ ঘটনার জন্য লাকুরাওয়া নামের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীকে দায়ী করেছেন। তার দাবি, জুমার নামাজ শেষ হওয়ার পর শত শত সশস্ত্র ব্যক্তি বন্দুক, ছুরি ও দা নিয়ে মুসল্লিদের ওপর হামলা চালায়। আহমাদ আরও জানান, হামলার সময় মাহমুদা নামের আরেকটি সশস্ত্র গোষ্ঠী সেখানে হস্তক্ষেপ করে এবং হামলাকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এর সুযোগে কয়েকজন অপহৃত ব্যক্তি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। ফেডারেল আইনপ্রণেতা জাফারু মোহাম্মদ জানিয়েছেন, আশপাশের আরও কয়েকটি গ্রামেও হামলা চালানো হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, লাকুরাওয়া গোষ্ঠীর মতাদর্শের বিরোধিতা করায় মাহমুদা গোষ্ঠীর সদস্যরা হামলাকারীদের প্রতিহত করতে সংঘর্ষে জড়ায়। সূত্র: আল জাজিরা