রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৫ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ৭ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
Printed on: September 20, 2026
July 12, 2026
জাতীয়
জাতীয়

আগামী শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের ‘আকর্ষণীয়’ পাঠ্যবই দিবে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী

Published: July 12, 2026 at 01:20 PM
আগামী শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের ‘আকর্ষণীয়’ পাঠ্যবই দিবে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী

অতীতের সব ভুলভ্রান্তি থেকে বেরিয়ে এসে আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্পূর্ণ ত্রæটিমুক্ত, মানসম্মত, প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয় পাঠ্যপুস্তক উপহার দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

রবিবার দুপুরে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের ‘চারটি নতুন পাঠ্যপুস্তকের কাঠামো চ‚ড়ান্তকরণ কর্মশালা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)’র চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেনÑ সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেনসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বিগত বছরগুলোতে পাঠ্যপুস্তকের পাÐুলিপিতে অসংখ্য বানান ভুল ও যাচ্ছেতাই বিষয়বস্তু অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা নিয়ে তীব্র সমালোচনা হয়েছে। আমরা এবার শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গ্রæপভিত্তিক নিবিড় কাজ করছি।’

তিনি বলেন, অতীতের সেই আবর্জনা পরিষ্কার করে, এবার শতভাগ নির্ভুল বই তৈরি করা হচ্ছে। মানসম্মত প্রিন্টিং ও কাগজের গুণগত মানের ক্ষেত্রে কোনো আপস করা হবে না।

এ সময় ড. এহছানুল হক মিলন আরো বলেন, বইয়ের প্রচ্ছদ ও ভেতরের ছবিগুলো এমন প্রাণবন্ত হতে হবে, যাতে তা কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে আকর্ষণ করে; ছবি যেন নিজেই কথা বলে।

তিনি জানান, নতুন এই চারটি বইয়ের পাÐুলিপি চ‚ড়ান্ত করার আগে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর গঠিত বিশেষজ্ঞ দলকে আগামী ৫ কার্যদিবসের মধ্যে ক্রীড়া বিষয়ক অধ্যায়ের কনক্লুসিভ স্টেটমেন্ট এবং সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন সাব-কমিটিও আগামী ৫ দিনের মধ্যে তাদের মতামত জমা দেবেন। এরপরই এই পাÐুলিপি চ‚ড়ান্ত অনুমোদন পাবে।

ভবিষ্যৎ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘২০২৭ সালের কাজ শেষ করেই আমরা বসে থাকব না। ২০২৮ শিক্ষাবর্ষের পরিমার্জিত কারিকুলাম করার জন্য আগামী ১ আগস্ট থেকেই আমরা নতুন বইয়ের কাজে হাত দিব, যাতে হাতে পর্যাপ্ত সময় থাকে এবং কোনো তাড়াহুড়ো না হয়।’

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা খাতের উন্নয়নকে নিজে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করেন। তার ভিশন বাস্তবায়নে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি চমৎকার ও আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রæতিবদ্ধ।