বিশ্বনেতাদের শুভেচ্ছা বার্তায় ভাসছেন বাইডেন-হ্যারিস

4

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ও ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন জো বাইডেন ও কমলা হ্যারিস। শপথগ্রহণের পর থেকেই বিশ্বনেতাদের শুভেচ্ছা বার্তা পাচ্ছেন বাইডেন-হ্যারিস।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন জো বাইডেন। ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটল হিলে স্থানীয় সময় বুধবার বেলা পোনে ১২টার দিকে শপথ নেন জো বাইডেন। এর আগে শপথগ্রহণ করেন ভাইস-প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। শপথগ্রহণের পর থেকেই বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর দেশের প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস-প্রেসিডেন্ট শুভেচ্ছা বার্তায় ভাসছেন। বিশ্বনেতাদের পাশাপাশি অভিবাদন জানিয়েছেন বিভিন্ন জোট ও সংগঠনের নেতারাও। বাইডেনের শপথগ্রহণের কয়েক মিনিটের মধ্যেই টুইট করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি লেখেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন। দু-দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারে তার সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে আছি।’ ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশা প্রকাশ করেন মোদি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আর পাক প্রধানমন্ত্রী শুভেচ্ছা জানাবেন না তা কি করে হয়। পিছিয়ে নেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও। তিনিও জো বাইডেনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে টুইট করেছেন। ইমরান খানও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাক-মার্কিন অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার অপেক্ষায়। এখন অপেক্ষা শুধু সময়ের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বি প্রতিবেশি এ দুই দেশের মধ্যে কার সঙ্গে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলবে মার্কিন প্রশাসন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বন্ধু’ খ্যাত মোদি সরকারের সঙ্গে, নাকি অংশীদারিত্ব হবে পাক-মার্কিন। এদিকে, বাইডেন-কমলা হ্যারিসকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তিনি লিখেছেন তাদের অভিষেক যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এক পা এগিয়ে যাওয়া। শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জুসেপ্পে কন্তে। শুভেচ্ছা বার্তায় লিখেছেন- এটা গণতন্ত্রের জন্য দারুণ একটা দিন। পাশাপাশি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট চার্লস মাইকেল। সামরিক জোট ন্যাটোর পক্ষ থেকে মহাসচিব জেন্স স্টোলবার্গও বাইডেন-হ্যারিসকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। অন্যদিকে, ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস শান্তি,সংহতির ও পারস্পারিক সম্প্রীতির আশা জানিয়ে বাইডেন ও হ্যারিসকে শুভেচ্ছে জানিয়েছেন। এছাড়াও জো বাইডেন ও কমলা হ্যারিসকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ, জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমান্যুয়েল ম্যাক্রোঁ, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেস ম্যানুয়েল লোপেজ, চিলির প্রেসিডেন্ট সেবাস্তিয়ান পিনেরা, ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন।