নাচোলে ব্যস্ত দিন পার করলেন জেলা প্রশাসক

25

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় জেলা প্রশাসক মো. মঞ্জুরুল হাফিজ বৃহস্পতিবার ব্যস্ত দিন পার করেছেন। এ দিন তিনি দুস্থ, অসহায় শীতার্তদের মধ্যে কম্বল বিতরণসহ উঠান বৈঠক এবং আলোচনা সভায় অংশ নেন। এছাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের চলমান গৃহনির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন নাচোল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবিহা সুলতানা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খাদিজা বেগম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জান্নাতুন নঈম মুন্নি, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মৌদুদ আলম খাঁসহ অন্যরা।
সকাল ১০টায় নাচোল সদর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে চেয়ারম্যান আবদুস সালামের সভাপতিত্বে ২০০ জনের মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হয়। সাড়ে ১০টায় দরবেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্পের ৩টি সমিতির সদস্যদের অংশগ্রহণে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আমার বাড়ি আমার খামার ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক সমন্বয়কারী হাবিবুর রহমান সমিতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বর্তমান অবস্থা জেলা প্রশাসককে অবহিত করেন।
বেলা সাড়ে ১১টায় কসবা ইউনিয়নের ছুটিপুর আদিবাসী পাড়ায় দুস্থ অসহায়দের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেন এবং বেলা ১২টায় সোনাইচন্ডি উচ্চ বিদ্যালয়ে এক আলোচনা সভায় যোগ দেন। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা শেষে শীতার্তদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক মো. মঞ্জুরুল হাফিজ। দুপুর ২টায় নেজামপুর উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল হকের সভাপতিত্বে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে কম্বল বিতরণ করেন এবং বিকেল সাড়ে ৪টায় ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে চেয়ারম্যান সাদির আহমেদের সভাপতিত্বে শীতবস্ত্র তুলে দেন। শীতবস্ত্র বিতরণ শেষে আশ্রয়ণ প্রকল্পের চলমান গৃহনির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক।
বিকেল ৫টায় নাচোল উপজেলা হলরুমে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকা- তুলে ধরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবিহা সুলতানার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মো. মঞ্জুরুল হাফিজ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) খাদিজা বেগম।
সভায় জেলা প্রশাসক মো. মঞ্জুরুল হাফিজ জানান, মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে সারাদেশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের জন্য গৃহ নির্মাণ করে দেয়া হচ্ছে।
এ সময় স্থানীয়রা জানান, ‘আমরা কাজ করে দিন পার করি। আমাদের বাড়ি নাই জমি নাই। অন্যের চালাঘরে কোনোরকম জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে থাকি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের জমি ও বাড়ি দিয়েছেন, এতে আমরা খুব খুশি। আমরা তাঁর (প্রধানমন্ত্রীর) দীর্ঘায়ু কামনা করি।