প্রিমিয়ার লিগ স্থগিতের দাবি বাড়ছে

7

ইংল্যান্ড জুড়ে বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগও এর বাইরে নয়। সবশেষ গত সপ্তাহে প্রতিযোগিতাটির ৩৬ জনের শরীরে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এরপর থেকে নতুন করে লিগ স্থগিতের দাবি উঠতে শুরু করেছে। প্রিমিয়ার লিগের নতুন মৌসুম শুরুর পর এ পর্যন্ত ২১ দফার পরীক্ষায় ফুটবলার ও স্টাফ মিলে মোট ২০৭ জন পজিটিভ হয়েছেন। গত ডিসেম্বর থেকে এ পর্যন্ত স্থগিত হয়েছে পাঁচটি ম্যাচ। সবশেষ স্থগিত হয়েছে স্বাগতিক অ্যাস্টন ভিলা ও টটেনহ্যাম হটস্পারের বুধবারের ম্যাচটি। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় মৌসুম সাময়িকভাবে স্থগিতের জন্যে চাপ বাড়ছে। তবে কোনোরকম বিরতি ছাড়াই আসর চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল কর্তৃপক্ষ। চরম ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও খেলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন নিউক্যাসল ইউনাইটেড কোচ স্টিভ ব্রুস। তার মতে, দেশে যখন কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তখন ফুটবল চালানোর সিদ্ধান্ত ‘নৈতিকভাবে ভুল’। ব্রুসের সঙ্গে সুর মিলিয়েছেন আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্তেতা। “আমাদের দেশে ও বিশ্বব্যাপী যে অবস্থা বিরাজ করছে, তাতে আমরা যা করছি নৈতিকভাবে তা কিছুটা অদ্ভুত।” যুক্তরাজ্যে কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখের বেশি; মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৮১ হাজার। সম্প্রতি নিউক্যাসল, ম্যানচেস্টার সিটি ও ফুলহ্যাম শিবিরে মারাত্মকভাবে হানা দিয়েছে করোনাভাইরাস। তাদের অনেক ফুটবলার আক্রান্ত হয়েছেন, অনেকে আবার আক্রান্তের সংস্পর্শে আসায় রয়েছেন সেলফ-আইসোলেশনে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে স্থগিত করা হয়েছে স্কটল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের নিচের সারির বেশ কয়েকটি লিগ। দেশটিতে ভাইরাসের নতুন ধরণ শনাক্ত হওয়ার পর গত সপ্তাহে দেশজুড়ে নতুন করে লকডাউন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তবে প্রিমিয়ার লিগের চলতে কোনো বাধা নেই বলে জানান তিনি।