মোসাদ্দেক-তাসকিনদের নিয়ে দ্রুতই সিদ্ধান্ত হবে

10

আবু ধাবি টি-টেন লিগে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেওয়া নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বিসিবি। এই টুর্নামেন্টের সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল থাকবে বাংলাদেশ সফরে। প্লেয়ার্স ড্রাফটে দল পাওয়া সব ক্রিকেটারের এই টুর্নামেন্টে খেলার অনুমতি পাওয়ার সম্ভাবনা সামান্যই। বোর্ডের প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরি জানালেন, এই ক্রিকেটারদের নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়ে যাবে দ্রুতই। টি-টেন লিগের প্লেয়ার্স ড্রাফটে বুধবার দল পেয়েছেন বাংলাদেশের ৬ ক্রিকেটার। নাসির হোসেনকে দলে নিয়েছে পুনে ডেভিলস, মারাঠা অ্যারিবিয়ান্স নিয়েছে তাসকিন আহমেদ, মোসাদ্দেক হোসেন ও মুক্তার আলিকে এবং বাংলা টাইগার্সে আছেন মেহেদি হাসান ও আফিফ হোসেন। আগামী ২৮ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই টুর্নামেন্ট। ওই সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল থাকবে বাংলাদেশ সফরে। ওয়ানডে সিরিজ শেষে তখন ক্যারিবিয়ানদের সঙ্গে টেস্ট সিরিজ চলবে বাংলাদেশের। টেস্ট সিরিজের জন্য বাংলাদেশ দলে তাসকিন ও মোসাদ্দেক বিবেচনায় থাকতে পারেন। জৈব-সুরক্ষা বলয়ের জন্য সাধারণ সময়ের চেয়ে এবার স্কোয়াড বড় হওয়ার কথা। সেক্ষেত্রে মেহেদি-আফিফদের সম্ভাবনা সামান্য হলেও আছে। নাসির ও মুক্তার আপাতত জাতীয় দলের ধারে কাছে নেই। অনাপত্তিপত্র দেওয়ার ক্ষেত্রে ক্রিকেটার ভেদে আলাদা সিদ্ধান্ত হবে নাকি সবার জন্য একই, এটি নিয়ে ভাবছে বোর্ড। বিসিবির প্রধান নির্বাহী জানালেন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। “দেশের বাইরে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে ক্রিকেটারদের অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ইন প্রিন্সিপাল আমরা দুটি ব্যাপার অনুসরণ করি। প্রথমত, দুটির বেশি লিগে কাউকে অনুমতি না দেওয়া এবং দ্বিতীয়ত, ওই সময় জাতীয় দলের কমিটমেন্ট আছে কিনা। এই ব্যাপারগুলি এখন আমাদের ভাবতে হবে।” “ওই সময় আমাদের এখানে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সফর আছে। আবার ন্যাশনাল ফোল্ডের বাইরের ক্রিকেটারও আছে টি-টেনে। আচমকা তাই আমি কিছু বলতে পারছি না বা সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না। সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলে আমরা দু-একদিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে ফেলব।” ১০ ওভারের ক্রিকেটের এই টুর্নামেন্টের এটির চতুর্থ আসর। ৮ দলের এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের ৬ ক্রিকেটার ছাড়াও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের অনেক নিয়মিত তারকাই খেলবেন।