করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিভিন্ন সংস্থাকে সম্পৃক্ত করার সুপারিশ

23

শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দেশে নতুন করে কোভিড-১৯ (করোনা ভাইরাস) সংক্রমণ বাড়ার প্রেক্ষাপটে মাঠপর্যায়ের প্রশাসন সরকারকে বাণিজ্যিক, শিল্প, রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক সংগঠনগুলোকে ফেসমাস্ক পরা সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করার প্রচার-প্রচারণায় যুক্ত করার সুপারিশ করেছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম মন্ত্রিসভার নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠকের পর এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘ফেসমাস্ক না পরার কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করার পরেও লোকজনের এতে অনীহার প্রেক্ষাপটে মাঠপর্যাযয়ের প্রশাসনের এ সুপারিশ এলো।’ আনোয়ারুল ইসলাম আরো জানান, তারা এরই মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও এফবিসিসিআইসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রাণঘাতী ভাইরাস থেকে সুরক্ষার জন্য ফেসমাস্ক পরার প্রচারণা চালানোর নির্দেশনা দিয়েছেন।
মন্ত্রিসভা মহামারি থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতি এবং নতুন করে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এটি মোকাবেলার উপায় নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে যোগ দিয়ে বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ বাংলাদেশ সচিবালয়স্থ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বৈঠকে সংযুক্ত হন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভায় জানান, তিনি এরই মধ্যে তার দল আওয়ামী লীগ, এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে কোনো অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার সময় এবং বাড়ির বাইরে ফেসমাস্ক পরার বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সকলকে মানুষের মাঝে কাপড়ের তৈরি তিন স্তরের ফেসমাস্ক বিতরণ করতে বলেছেন, যাতে তারা এগুলো বারবার ব্যবহার করতে পারেন। তিনি ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর জন্য গণমাধ্যমকে অভিনন্দন জানান এবং কোভিড-১৯ সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার কথা উল্লেখ করে এ লক্ষে আরো সহযোগিতা কামনা করেন। ‘শীতের তীব্রতা আরো বাড়তে থাকলে সংক্রমণের হারও বাড়বে’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী নিজেকে এবং অপরকে বাঁচাতে সবাইকে ফেসমাস্ক পরার স্বাস্থ্য নির্দেশিকা মেনে চলার অনুরোধ জানান।