চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাজারে অপরিবর্তিত সবজির দাম

0

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নিউমার্কেট বাজারে শুক্রবার সবজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। মুদিবাজারে বেড়েছে ময়দা, ডিম ও বিদেশী রসুনের দাম। অন্যদিকে চাষ করা মাছের দাম কম হলেও নদীর মাছের দাম বেশি। বিক্রেতারা বলছেন, নদীতে জাল ফেলতে না দেয়ায় নদীর মাছের দাম বেশি। মুরগি বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে মুরগির দাম। আর গরুর মাংস ৫০০ ও খাসির মাংস ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
সবজি বিক্রেতা আব্দুল রশিদ ও শহিদুল ইসলাম বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় সবজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। তারা বলেন, সরকার ৩০ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রির নির্দেশ দিলেও আমরা এখন পর্যন্ত পাইকারি বাজারে ৩০ টাকা বা এর নিচে আলু কিনতে পচ্ছি না। আজও (শুক্রবার ) পাইকারি বাজার থেকে ৪৪ টাকা কেজি দরে আলু কিনে বিক্রি করছি ৪৫ টাকা দরে।
শুক্রবার বাজারে ফুলকপি ১১০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৩০, কাঁচকলা ৫৫, দেশী শসা ৬০, কচু ৪০-৪৫, গাজর ১০০, ঢেড়শ ৬০, বরবরট্টি ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।
নিউমার্কেট বাজারে মুদি পণ্য বিক্রেতারা জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় ময়দার দাম বস্তাপ্রতি ৫০-৬০ টাকা বেশি। আগে ময়দা বিক্রি হতো ২৫-২৬ টাকা কেজি দরে, এখন বিক্রি হচ্ছে ২৬-২৭ টাকা। ডিমের দাম হালিপ্রতি ২ টাকা বেড়ে হয়েছে ৩৬ টাকা। বিদেশী পেঁয়াজ মানভেদে ৮২-৮৫, দেশী পেঁয়াজ ৮৮-৯০, বিদেশী রসুন ৭০-৭৫ থেকে বেড়ে ৯০-৯২, দেশী রসুন ১১০-১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বিদেশী রসুনের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে বিক্রেতারা জানান, আমদানি কমের জন্য দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
মাছ বিক্রেতা শুকুরউদ্দিন ও আয়াতুল্লা বলেন, আজ (শুক্রবার ) বাজারে চাষ করা মাছের আমদানি বেশি হয়েছে, দামও তুলনামূলকভাবে কম। দুই কেজির কাতল ২২০ এবং জাপানি ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে, নদীর মাছের দাম কেজিপ্রতি ১০০ থেকে ৩০০ টাকা বেড়েছে বলে জানান বিক্রেতারা। ট্যাংরা আগে ছিল ৩২০-৩৪০ টাকা কেজি, এখন আর বিক্রি করছি ৪৫০-৫০০ টাকা কেজি। এছাড়া বাচা ৬৫০-৭০০ টাকা থেকে বেড়ে ৯০০-৯৫০, ঘেরা ৭৫০, বোয়াল ৪৫০, গুচি ৭০০, শোল ৪০০, চিংড়ি ৪৮০, গোটি ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মুরগি বিক্রেতা সেলিম রেজা ও সাদিকুল বলেন, বাজারে সোনালি ১৭০, সোনালি লেয়ার ২০০, দেশী মুরগি ৩০০-৩২০, ব্রয়লার ১১০-১১৫, প্যারেন্স ১৭৫-১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
সবজি বাজারে সবজি কিনতে আসা মনিরুল ইসলাম বলেন, সবজি বাজারে দাম বেশি। বেগুন সারা বছর হয় তবুও তো বেগুন ৯০ টাকা কেজি। তার ক্ষোভ, এখন আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হচ্ছে। না কিনেও তো উপায় নেই।
আরেক ক্রেতা দুরুল হুদা জানান, সরকার ৩০ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করার ঘোষণা দিলেও বিক্রেতারা বলছেন, আগে থেকে বেশি দামে কেনা ছিল তাই ৪৪ টাকা কেজি নিচ্ছে।