মুক্তিপ্রাপ্ত ৬৮০ বাংলাদেশীকে ফেরত পাঠাবে ভারত

14

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলে বন্দি প্রায় ৬৮০ বাংলাদেশীকে দেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য কারা দপ্তর- এমন তথ্য জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম। জানা গেছে, সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ায় এসব বন্দি মুক্তি পেয়েছেন অনেক আগেই। তবে করোনা আর লকডাউনের কারণে তাদের এতদিন জেলেই বন্দি রাখা হয়েছিল। ফলে তাদেরকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজ্য কারা দপ্তর তাদের দেশে ফেরাতে উদ্যোগ নিয়েছে বলে আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
খবরে বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সংশোধনাগারে প্রায় ৬৮০ জনের মতো বাংলাদেশী বন্দি আছেন। আদালতের নির্দেশে সাজার মেয়াদ শেষ হয়েছে তাদের। কিন্তু গত কয়েক মাস করোনা আর লকডাউনের কারণে বাংলাদেশী বন্দিদের ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি। অনেকদিন বন্ধ ছিল সীমান্তও। তবে এখন সেসব সমস্যা অনেকটাই মিটেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে মুক্ত বন্দিদের যাতে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো যায়, তার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে স্বরাষ্ট্র দপ্তরকে অনুরোধ করেছে কারা দপ্তর। এ বিষয়ে গত কয়েকদিন আগে দুই দপ্তরের মধ্যে একটি বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে সেই বৈঠকটি আপাতত স্থগিত হয়েছে বলে রাজ্য প্রশাসন জানিয়েছে।
আনন্দবাজারের ওই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, কোভিড-১৯ এর কারণে কয়েক মাস করে ‘ছুটি’ মিলেছিল কয়েক হাজার বিচারাধীন এবং দ-িত বন্দির। সেই সব ছুটি কাটিয়ে সংশোধনাগারে ফিরতে শুরু করেছেন বন্দিরা। তাই ধীরে ধীরে ‘ভিড়’ বাড়ছে, যা নিয়ে চিন্তাও বাড়ছে সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষের। তাদের অনেকের মতে, কয়েক মাস পরে যারা সংশোধনাগারে ফিরছেন, তাদের আইসোলেশনে রাখা হচ্ছে। আশা করা যায়, কোনো সমস্যা হবে না। তবুও চিন্তা নেই বললে সত্যের অপলাপ হবে।
জানা গেছে, দমদম, বহরমপুর, মালদহ, কৃষ্ণনগর, বালুরঘাট, জলপাইগুড়ি বনগাঁ, বসিরহাটের মতো সংশোধনাগারে বাংলাদেশী বন্দিরা বেশি থাকেন। কোভিড-১৯ প্রতিরোধের অন্যতম শর্ত দূরত্ববিধি বজায় রাখা। তাই মুক্ত বাংলাদেশী বন্দিদের তাদের দেশে পাঠানো গেলে সীমান্তবর্তী জেলার সংশোধনাগারগুলোর ভিড়ের লেখচিত্র কিছুটা নি¤œগামী হতে পারে ধারণা কারা দপ্তরের।