টিম স্পিরিট এর জোরেই সাফল্যের পথে রিয়াল

7

গেতাফের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পুরো ম্যাচে ঘাম ঝরাতে হয় রিয়াল মাদ্রিদকে। প্রতিপক্ষের আক্রমণ সামলাতেও দিতে হয় কঠিন পরীক্ষা। নির্ধারিত সময়ের ১১ মিনিট বাকি থাকতে সের্হিও রামোসের স্পট কিক গড়ে দেয় ব্যবধান। লিগের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আরেকটি কঠিন চ্যালেঞ্জ জয়ের পর রিয়াল কোচ জিনেদিন জিদান জানালেন, ‘টিম স্পিরিট’ এর জোরেই সাফল্যের পথে হাঁটছে তারা। আলফ্রেদো দে স্তেফানো স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার রাতে ম্যাচটি ১-০ গোলে জিতে লা লিগার শিরোপা লড়াইয়ে বড় এক ধাপ এগিয়ে গেছে রিয়াল। দ্বিতীয় স্থানে থাকা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার চেয়ে মাদ্রিদের দলটি ৪ পয়েন্ট এগিয়ে আছে এখন, বাকি আর পাঁচ রাউন্ড। ম্যাচের শুরুতে বল দখলে রিয়াল এগিয়ে থাকলেও আক্রমণে আধিপত্য ছিল গেতাফের। পুরো ম্যাচেই রিয়ালের কঠিন পরীক্ষা নেয় দলটি। অবশেষে ৭৯ মিনিটে ‘ডেডলক’ ভাঙেন রামোস। দানি কারভাহাল ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পেয়েছিল রিয়াল। ঠা-া মাথায় নিখুঁত স্পট কিকে জয়সূচক গোলটি করেন অধিনায়ক। ম্যাচ শেষের প্রতিক্রিয়ায় দল মূল্যবান ৩ পয়েন্ট পাওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন জিদান। “আমরা আজ খুব খুশি হতে পারি। কারণ আমরা এমন একটি দলের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য কাজ করেছি, যারা আমাদের অনেক সমস্যায় ফেলেছিল। আমাদের টিম স্পিরিটের কারণে আমরা জয় পেয়েছি।” “আমাকে ও খেলোয়াড়দের অনেক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে। এই ম্যাচগুলোয় আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি। আমরা যা করছি, তা সহজ নয়। কষ্ট ছাড়া কিছু অর্জন করা যায় না।” বার্সেলোনা গত মঙ্গলবার আতলেতিকো মাদ্রিদের সঙ্গে ২-২ ড্র করায় রিয়াল জানত, গেতাফেকে হারালে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের থেকে অনেকটা এগিয়ে যাবে তারা। করোনাভাইরাস বিরতির পর ৬ পয়েন্ট হারিয়েছে বার্সেলোনা। এই সময়ে রিয়াল জিতেছে তাদের ছয় ম্যাচেই। কারভাহাল জানালেন, পুনরায় শুরুর পরই তাদের সামনে লক্ষ্য ঠিক করে দিয়েছিলেন কোচ। “বিরতির পর কোচের বার্তা ছিল, আমাদের ১১টি ফাইনাল বাকি এবং আমাদের চেষ্টা করতে হবে ৩৩ পয়েন্ট তুলে নেওয়ার। আমরা সেই পথে আছি।”