জুলাইয়ে কিছু কার্যালয় খুলবে গুগল

13

করোনাভাইরাস বাস্তবতায় নিজেদের কিছু কার্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে গুগল। ফেইসবুক ও টুইটারের মতো ‘স্থায়ীভাবে’ বাসা থেকে কাজ করতে দেওয়ার প্রতিষ্ঠানের কাফেলায় যোগ দেয়নি প্রতিষ্ঠানটি।
গুগল প্রধান সুন্দার পিচাই মঙ্গলবার বলেছেন, জুলাইয়ের ৬ তারিখ থেকে “আরও শহরে আরও ভবন খুলতে” চায় গুগল। তবে, সুনির্দিষ্ট করে কোনো শহর বা কার্যালয়ের কথা বলেননি তিনি। শুধু জানিয়েছেন, ওই স্থানগুলোতে বসবাসরত কর্মীরা কার্যালয়ে ফিরতে পারবেন। — খবর সিএনএন-এর।
শুরুতে মোট ভবন সক্ষমতার হিসেবে ১০ শতাংশ কর্মী কাজে ফিরতে পারবেন। সেপ্টেম্বর নাগাদ প্রতিটি ভবনের সক্ষমতার হিসেবে ৩০ শতাংশ কর্মীকে কাজে ফেরার সুযোগ করে দেবে প্রতিষ্ঠানটি।
“আমরা কঠোরভাবে স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা ব্যবস্থা রাখব যাতে সামাজিক দূরত্ব এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থা অনুসরণ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। কার্যালয় ছাড়ার সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে, এবার কার্যালয়কে ভিন্ন মনে হবে। – এক ব্লগ পোস্টে লিখেছেন পিচাই।
তিনি আরও বলেছেন, “মানুষ আসার সংখ্যা কমানোর সাথে সাথে আমাদের অফিসে কাটানো সময়টুকুকে সুরক্ষা প্রটোকল মেনে ন্যায্য করে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য”।
এরই মধ্যে ফেইসবুক, টুইটার, স্কয়ার, বক্স, কয়েনবেজের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো বাসা থেকে কাজ করার ব্যাপারে জানিয়েছে। সে হিসেবে বিপরীতমুখী সিদ্ধান্ত জানালো গুগল। তবে, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে যে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে, সে আভাস মিলেছে পিচাইয়ের বক্তব্য থেকে।
অনেক বিশেষজ্ঞের অনুমান, কার্যালয়ে ফেরার পর আরও ব্যক্তিগত ও গোপনতা-ভিত্তিক কাজের জায়গা চোখে পড়বে গুগল কর্মীদের।
অন্যান্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের মতো গুগলও কোটি কোটি ডলার খরচ করে কর্মীদের জন্য অফিস সাজিয়েছে। ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরের চেলসা মার্কেট পেতে দুই হাজার চারশ’ কোটি ডলার গুণেছিল প্রতিষ্ঠানটি।
মহামারীর কারণে কর্মীরা চাইলে অবশ্য তাদেরকে বাসা থেকে কাজ করতে দেবে গুগল। এ বিষয়ে আগেই জানিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। মঙ্গলবার আবারও এ বিষয়ে বলেছেন পিচাই। বাড়তি হিসেবে বলেছেন, প্রয়োজনীয় “সরঞ্জাম ও অফিস আসবাব” খরচের জন্য এক হাজার ডলার করে ভাতা পাবেন কর্মীরা।