ক্যাটিচকে দলে ফেরাতে লড়াই করেছিলেন ক্লার্ক

8

মাইকেল ক্লার্ক অধিনায়ক হতে না হতেই শেষ সাইমন ক্যাটিচের ক্যারিয়ার। ২০০৯ সালের ড্রেসিং রুমে তাদের দুজনের মধ্যে বিবাদের কথা মনে করে অনেকে মেলান দুইয়ে দুইয়ে চার। ক্লার্ক জানালেন, এই ধারণা ভূল। উল্টো অ্যাশেজ সিরিজে ক্যাটিচকে দলে ফেরাতে লড়াই করেছিলেন তিনি। ঘটনার শুরু ড্রেসিংরুমে দলীয় সঙ্গীত গাওয়ার সময় অপ্রীতিকর ঘটনার মধ্য দিয়ে। বিবাদে জড়িয়ে পড়েছিলেন ক্যাটিচ ও ক্লার্ক। একপর্যায়ে তরুণ সতীর্থের কলার চেপে ধরেন ক্যাটিচ। ২০১১ সালে অস্ট্রেলিয়া দলের অধিনায়কত্ব পান ক্লার্ক। জাতীয় দল, কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ পড়েন ক্যাটিচ। এরপর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আর ফেরা হয়নি বাঁহাতি এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানের। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে ফোনে এক দর্শক এই প্রসঙ্গ তুললে ক্লার্ক নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন। “ভুল। আমাকে সত্যটা বলতে দিন। কারণ, আপনি কী শুনেছেন কিংবা পেপারে কী পড়েছেন, ওইটা নিয়েই পড়ে আছেন। সাইমন ও আমার মধ্যে ড্রেসিংরুমে একটি ঘটনা ঘটে। সাইমনের হয়ে আমি বলতে পারি না, কিন্তু আমার দৃষ্টিকোণ থেকে এটা শেষ, সমাধানও হয়েছিল।

পরের দিন আমরা আলাপ করেছি, বিষয়টি সমাধান হয়ে গিয়েছিল।” “লোকে কেন এটা বুঝতে চায় না যে আমি অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক হলেও কে চুক্তিতে থাকছে, সে বিষয়ে আমার বলার কিছু নেই। আমি যখন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক কিংবা নির্বাচক ছিলাম, তখন সাইমন ক্যাটিচ দল থেকে বাদ পড়েনি।” ৫৬ টেস্টে ৪৫.০৩ গড়ে ৪ হাজার ১৪৪ রান করা ক্যাটিচের সামর্থ্য ভালো করেই জানতেন ক্লার্ক। জানান, ২০১৩ সালে অ্যাশেজ সিরিজের দলে ক্যাটিচকে ফেরাতে নির্বাচকদের সঙ্গে লড়াই করেছিলেন তিনি। তবে নির্বাচকদের রাজি করতে পারেননি। “কে কি ভাবছেন সেটা তার অধিকার কিন্তু আমি বলতে পারি, ওই অ্যাশেজ সফরে (২০১৩ সালে) আমি তাকে দলে ফেরানোর জন্য লড়েছিলাম। কারণ আমি মানি, আমাদের একজন টপ-অর্ডার ব্যাটসম্যানের প্রয়োজন ছিল এবং দীর্ঘদিন ধরে তার পরিসংখ্যান ছিল অসাধারণ।”