প্রচুর খাদ্যদ্রব্য মুজদ আছে : জেলা প্রশাসক

চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনপ্রতিনিধি, পুলিশ ও ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে সচতেনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত জেলায় ৭৬৯ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন বলে সিভিল সার্জন ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী জানিয়েছেন। তিনি বলেন-বৃহস্পতিবার থেকে গণহারে তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার মেয়াদ শেষ হবে। তাই আতঙ্কিত না হয়ে জেলাবাসীকে স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়ম মেনে সচেতন থাকার আহ্বান জানান জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের শীর্ষ এ কর্মকর্তা।
অন্যদিকে জেলা প্রশাসক এ জেড এম নূরুল হক বলেন, সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল খোলা থাকবে। সরকারি অফিসগুলো ছুটি ঘোষণা করা হলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই জেলার বাইরে যাওয়া যাবে না। খাদ্যদ্রব্যের প্রচুর মজুদ রয়েছে। কেউ দাম বাড়ালে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রচুর পরিমাণ ১০ কেজির চাল ও টিসিবির পণ্য বিতরণ করা হচ্ছে। আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার জন্য তিনি জেলাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। তিনি জানান, বুধবার থেকে সেনাবাহিনী কাজ শুরু করবে।
এদিকে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ, পথচারী, রিকশাচালকসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেছে জেলা পুলিশ। সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ জিয়াউর রহমানসহ পুলিশের বিভিন্ন দল বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট বিতরণ করেন এবং জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোতে অনুরোধ জানান।
অপরদিকে নাচোল পৌরসভার মেয়র আব্দুর রশিদ খান করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেছেন।
অন্যদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র-২ নূরুল ইসরাম মিনহাজ মহল্লাবাসীর মাঝে ৩ হাজার মাস্ক ও মসজিদের ওজু খানায় সাবান বিতরণ বিতরণ করেছেন। মঙ্গলবার বিকেলে তিনি রাজারামপুর মালোপাড়া, নামোরাজারামপুর, নিমগাছী এলাকায় এসব মাস্ক ও সাবান বিতরণ করেন। তিনি জানান, প্রাণঘাতী এ করোনা ভাইরাস থেকে সবাইকে বাচাতে ও প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের না হতে সবাইকে সচেতন করা ও সরকারি নির্দেশনা মানতে তিনি এ উদ্যোগ নিয়েছেন।
এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে জীবাণু ধ্বংসকারী হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ শহরের বঙ্গবন্ধু চত্বর থেকে শুরু করা হয় হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ কার্যক্রম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফুর রেজা ইমন, সাধারণ সম্পাদক ডা. সাঈফ জামান আনন্দসহ ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ। এ সময় ১ হাজার হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ১ হাজার মাস্ক ও ১ হাজার লিফলেট বিতরণ করা হয়।