চিকিৎসকদের সুরক্ষায় ৮০টি পিপিই বরাদ্দ চাঁপাইনবাবগঞ্জে

১৭ জনের হোম কোয়ারেন্টাইন রবিবার শেষ হচ্ছে

বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ভাইরাসে দেশে এ পর্যন্ত দুজনের মৃত্যু ঘটেছে। আক্রান্ত হয়েছেন ২৪ জন। এদিকে এ ছোঁয়াচে ভাইরাসের কারণে বিভিন্ন স্থানে সাধারণ জ্বরের রোগীদের চিকিৎসা দিতেও চিকিৎসকদের অনীহার খবর এসেছে। তাদের দাবি, চিকিৎসকদের সুরক্ষার জন্য কোনো ব্যবস্থা না থাকলে তারা কীভাবে চিকিৎসা করবেন। তবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে চিকিৎসকদের সুরক্ষার ব্যবস্থা হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে চিকিৎসকদের সুরক্ষায় ৮০টি পার্সোনাল প্রটেক্টিভ ইকুয়েপমেন্ট (পিপিই) বরাদ্দ হয়েছে। এর মধ্যে ২০টি পিপিই এসে পৌঁছেছে এবং সেগুলো সদর আধুনিক হাসপাতালে দেয়া হয়েছে। এদিকে জেলাতে বর্তমানে ৩৭৩ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। তাদের মধ্যে আজ রবিবার ১৭ জনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার মেয়াদ শেষ হবে। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পিপিই’র বিষয়ে শনিবার সিভিল সার্জন ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি গৌড় বাংলাকে জানান, চিকিৎসক-নার্সদের করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষার জন্য ৯০০টি পিপিই এবং শনাক্তকরণে প্রয়োজনীয় কিটসের জন্য চাহিদাপত্র দেয়া হয়েছিল। এর মধ্যে সদর আধুনিক হাসপাতালের জন্য ৫০০টি এবং চার উপজেলার প্রতিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জন্য ১০০টি করে ৪০০টির পিপিই চাওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, এর বিপরীতে আমাদেরকে এখন পর্যন্ত মোট ৮০টি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এগুলোর মধ্যে সদর হাসপাতালের জন্য ২০টি, চার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জন্য ৫টি করে ২০টি এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়ের জন্য ৪০টি। বরাদ্দকৃত ৮০টির মধ্যে আমরা ২০টি পিপিই হাতে পেয়েছি, যেগুলো এরই মধ্যে সদর হাসপাতালের জন্য দেয়া হয়েছে।
এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক প্রচারণা অব্যাহত রাখা হয়েছে। প্রচারপত্র বিলির পাশাপাশি মসজিদে মসজিদে ইমামগণ মুসল্লিদের নিয়ে বিশেষ মোনাজাত করছেন। বিদেশ থেকে আসা প্রবাসী ও ভারত থেকে চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে প্রশাসনের কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।