রাবিতে সন্ধ্যাকালীন কোর্সের যৌক্তিকতা যাচাইয়ে কমিটি

0

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকোর্সের যৌক্তিকতা যাচাইয়ে অনুসন্ধান কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ২৫১তম অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহাকে আহ্বায়ক করে ১২ সদস্যের এ কমিটি করা হয়। সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আচার্য মো. আবদুল হামিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সান্ধ্যকোর্সের সমালোচনা করেন। এরপরই গত ১১ ডিসেম্বর ইউজিসির পক্ষ থেকে সান্ধ্যকোর্স প্রসঙ্গসহ বিভিন্ন ধরনের ১৩ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়। এই নির্দেশনা পাওয়ার পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সান্ধ্যকোর্সের যৌক্তিকতা যাচাই কমিটি গঠন করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আবদুস সোবহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনন্দ কুমার সাহাকে প্রধান করে ১২ সদস্যবিশিষ্ট এ পর্যালোচনা কমিটি গঠন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদগুলোর ডিনদেরকে কমিটিতে রাখা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আগামী অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় গঠিত কমিটি পর্যালোচনা উপস্থাপন করবেন। তাদের পর্যালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে সান্ধ্যকোর্স থাকা না থাকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এমএ বারী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়টি অনুষদের ডিনসহ ১২ সদস্যের এ কমিটিতে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাশিউরেন্স সেলের (আইকিউএসি) দুই সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
কমিটির সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) নির্দেশনা, রাষ্ট্রপতির সাম্প্রতিক সময়ের বক্তব্য, সবকিছু বিচার বিবেচনায় রেখে সান্ধ্যকোর্সের বিষয়ে সুপারিশ করবেন। কমিটির আহ্বায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য আনন্দ কুমার সাহা বলেন, আজ তো কেবল কমিটি হল। এখনও আমাদের বসা হয়নি। ডিনদের সঙ্গে বসে পরামর্শ করে পরবর্তী অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় সিদ্ধান্ত জানানো হবে।