সনদপত্র বিতরণের মধ্যদিয়ে মাসব্যাপী সাঁতার প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

8

সদ্য পদোন্নতি পাওয়া চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার টিএম মোজাহিদুল ইসলাম বলেছেন, আমরা যদি জনসাধারণকে আইন মানাতে চেষ্টা করি কিন্তু আপনারা যদি না মানতে চান তাহলে কঠিন হয়ে যায়। কিন্তু আপনারা মানুষগুলো খুব ভালো। আপনাদেরকে অন্ধকারে রাখা হয়েছিল আপনাদেরকে যদি আলোয় ডাকা হতো তবে আপনারা অনেক আগেই হয়তো এই আলোর দিকে চলে আসতেন। হয়তো কেউ ডাকেনি তাই একটু দেরি হয়েছে। তিনি আরো বলেন-চাঁপাইনবাবগঞ্জে গর্ব করার মতো অনেক কিছুই আছে। এখানে আছে কাঁসা-পিতল, নকশি কাঁথা, রেশম আর আছে সুস্বাদু আম। আছে নদী। এসবই ভালো, কারণ এখানকার মানুষও ভালো। গতকাল সোমবার বিকেলে মাসব্যাপী সাঁতার প্রশিক্ষণের সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পুলিশ সুপার আবরও জেলবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন-আমার সৌভাগ্য এ জেলায় কর্মরত থাকা অবস্থায় তিনটি পদক এবং পদোন্নতি পেয়েছি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে উপজেলা পর্যায়ে সদর উপজেলার অনুর্ধ্ব-১৬ বালক-বালিকাদের মাসব্যাপী সাঁতার প্রশিক্ষণ শেষে  সোমবার ডা. আ.আ.ম. মেসবাহুল হক (বাচ্চু ডাক্তার) স্টেডিয়াম সংলগ্ন সুইমিংপুলে সনদপত্র বিতরণের মধ্যদিয়ে এ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়।
সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোখলেশুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মু. জাবেদ ইকবাল। স্বাগত বক্তব্য দেন, জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. আখতারুজ্জামান রেজা তালুকদার।
জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মুকুলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মো. শফিকুল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিসাত তাবাসুম ও শিপরা রানী দাশ, সদর মডেল থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) জিয়াউর রহমানসহ অন্যরা।
সাঁতার প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার প্রশিক্ষক মো. হুসনে রাকিব।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষে জেলা ক্রীড়া অফিসের ব্যবস্থাপনায় এ সাঁতার প্রশিক্ষণে গত ৪ অক্টোবর থেকে গতকাল ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ৩০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করে।