জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জেলা ছাত্রলীগের আলোচনা সভা

16

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শোকাবহ আগস্ট স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে জেলা ছাত্রলীগ।
জেলা ছাত্রলীগ আয়োজিত এ আলোচনা সভায় ছাত্রলীগকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মু. জিয়াউর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রুহুল আমিন, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাকিনা খাতুন পারুল, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক শরিফুল আলম ও সহ-সভাপতি চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আলহাজ্ব এরফান আলী এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিজান, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুস সামাদ বকুল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ আতিকুল ইসলাম, জেলা যুবলীগের সভাপতি সামিউল হক লিটন ও সাধারণ সম্পাদক আমানুল্লাহ বাবু, জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহীদুল হুদা অলক, গ্রামীণ ট্রাভেলসের চেয়ারম্যান ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের উপদেষ্টা মো. মুখলেসুর রহমান, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি গোলাম শাহনেওয়াজ অপু ও ফাইজার রহমান কনক, জেলাা তাঁতী লীগের সদস্য সচিব আবদুর রাকিব। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফুর রেজা ইমনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ডা. সাইফ জামান আনন্দের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক লেলিন প্রামানিক, জেলা স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সাধারণ সম্পাদক ডা. নাহিদ ইসলাম মুনসহ জেলা ও উপজেলা ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও অন্য নেতারা।
আলোচনা সভা শেষে দোয়া পরিচালনা করেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম এবং দোয়া শেষে মধ্যহ্ন ভোজে অংশগ্রহণ করেন সকল নেতাকর্মী।

আলোচনা সভায় ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারবর্গের খুনিদের ফাঁসি ও দেশের বাইরে পালিয়ে যাওয়া খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি এবং ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সাথে সংশ্লিষ্টদের দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসির দাবি জানান বক্তারা। এ সময় বক্তারা ছাত্রলীগকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আজকের ছাত্রলীগই আগামীতে দেশের নেতৃত্ব দিবে। শুধু মিটিং, মিছিল নয়- ছাত্রলীগ করতে হলে ভালোভাবে পড়ালেখা করতে হবে। ছাত্রলীগের মূলনীতি- ‘শিক্ষা, শান্তি, প্রগতি’ এ কথা ভুলে গেলে চলবে না। তাই আগে ভালো করে পড়াশুনা, তারপর ছাত্রলীগ। ছাত্র হলেই তো ছাত্রলীগ। তাই ছাত্র না হয়ে কেউ পূর্ণাঙ্গ ছাত্রলীগ হতে পারে না।
বক্তারা ছাত্রলীগকর্মীদের উদ্দেশ্যে আরো বলেন, ছাত্রলীগ করতে হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জানতে হবে। তার আদর্শে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে হবে। আজকের এই শোকাবহ মাসে তাই সকলে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হই ভবিষ্যতে দেশে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য প্রস্তুত হন। বঙ্গবন্ধুর প্রাণের সংগঠন ছাত্রলীগকে আরো সুসংগঠিত করতে মেধাবীদের বিকল্প নাই। তাই নিজেদের ছাত্রত্ব রক্ষা করার চেষ্টা করুন সকলে এবং দেশের কল্যাণে উদ্বুদ্ধ হন।
বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার আগে ও পরে ছাত্রলীগের ভূমিকা অপরিসীম। যে কোনো মিটিং, মিছিলে সর্বদা বিচরণ করে বেড়ান। যে কোনো কল্যাণমূলক কাজেও ছাত্রলীগ এগিয়ে আসেন। তাই শান্তির সংগঠনকে আরো সুসংগঠিত করার চেষ্টা করুন। তবেই বঙ্গবন্ধুর প্রাণের সংগঠনের অস্তিত্ব টিকে থাকবে ও দেশে শান্তি বিরাজমান থাকবে।