ভোলাহাটে জমে উঠেছে কোরবানি পশুর হাট

7

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার একমাত্র পশুর হাট ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে জমে উঠেছে। গোহালবাড়ী সরকারি পশুর হাট সপ্তাহের রবিবার ও বৃহস্পতিবার বসে।
ভোলাহাট উপজেলা সীমান্তবর্তী হওয়ায় এর আগে ভারতীয় গরু আসায় বিপাকে পড়তে হতো দেশী গরু নিয়ে। বর্তমানে দুটি বিটখাটাল থাকলেও ভারতীয় গরু আসা বন্ধ রয়েছে। ফলে স্থানীয় গরুতে ভরে উঠেছে পশুর হাট।
রবিবার সরজমিন দেখা যায়, পশুর হাটে দেশী গরুর ছড়াছড়ি। পশু বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ভারতীয় পশু না আসায় দেশী গরু, ছাগল ও ভেড়া বেশ সন্তোষজনক মূল্যে বিক্রি করছেন তারা।
বাড়িতে পালন করা গরু বিক্রি করতে আসা আসগার আলী জানান, প্রায় ৩ মণ ওজনের মধ্যবয়সী গাভী কোরবানির জন্য বিক্রি করেছেন ৬০ হাজার টাকায়।
২২ কেজি ওজনের ছাগল কিনেছেন সিলু। তিনি জানান, ছাগলটি তিনি ১০ হাজার টাকায় ক্রয় করেছেন।
হাটে অসংখ্য পশু নামলেও ক্রেতাও ছিল চোখে পড়ার মতো। বিক্রেতারা খুশি ভারতীয় পশু হাটে না নামায় চাহিদামতো দেশী পশুর দাম পাওয়ায়।
অপরদিকে চড়া মূল্যে পশু ক্রয় করতে হিমশিম খাচ্ছেন মধ্যবিত্ত ও নি.মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষেরা। তারা বলছেন, চড়া মূল্যে পশু ক্রয় করে কোরবানি দেয়া তাদের নাগালের বাইরে হচ্ছে। সব মিলিয়ে জমে উঠেছে ভোলাহাটের কোরবানির পশুর হাট।
এদিকে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা দিতে ভোলাহাট থানা পুলিশের একটি দল পশুর হাটে সার্বক্ষণিক নিয়োজিত রয়েছেন। পুলিশের দলটি জাল টাকা সনাক্ত করতে মেশিন নিয়ে বসেছেন, কেউ যাতে এ বিষয়ে প্রতারিত না হন। এছাড়া পশুর হাটে রোগ নির্ণয় করতে ভোলাহাট প্রাণিসম্পদ অধিদফতর একটি ক্যাম্প বসিয়েছে।
হাটের ইজারাদার মইনুর রহমান শাহ সায়েম জানান, কোরবানির পশুর হাটে সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পশু বেচাকেনা হচ্ছে। কোনো প্রকার দুর্ঘটনা ঘটেনি। ঈদের আগে আগামী বৃহস্পতিবার ও রবিবার দুদিন পশুর হাট বসবে। এ দুদিন ক্রেতা-বিক্রেতারা কোরবানির জন্য পশু ক্রয় ও বিক্রয় করতে পারবেন বলে জানান তিনি।