আরও ভালো খেলতে হবে সেমিফাইনালে যেতে : সাকিব

বাংলাদেশের পিঠ যেন দেয়ালে ঠেকেই যাচ্ছিল। এই অবস্থায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়ে আশা জেগেছে। শেষ চারে যাওয়া নিয়ে হিসাব কষছেন অনেকে। যদিও সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে। বলা যায়, নিজেদের শেষ চারটি ম্যাচই জিততে হবে। তাই সাকিব মনে করেন, সেমিফাইনাল খেলার লক্ষ্য পূরনে আগামি ম্যাচগুলোতেও বাংলাদেশকে ভাল খেলতে হবে।
ওয়েস্ট ইন্ডিাজের বিপক্ষে সাত উইকেটে জেতা এই ম্যাচে সাকিব নিজে করেছেন ৯৯ বলে অপরাজিত ১২৪ রান। ১৬টি বাউন্ডারি মেরেছেন তিনি। বল হাতে নিয়েছেন দুটি উইকেট। তাই স্বাভাবিক হয়েছেন ম্যাচসেরা। সাকিবকে দারুণ সঙ্গ দেয়া লিটন দাস ৮টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৬৯ বলে অপরাজিত ৯৪ রান করেন।
ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ফুরফুরে সাকিব বলেন, ‘আর চারটি ম্যাচ আছে। আমরা সেমিফাইনাল খেলতে চাই। সেমিফাইনাল খেলতে হলে আমাদের সেরা ক্রিকেট খেলতে হবে পাশাপাশি আমাদেরকে প্রত্যেককে অবদান রাখতে হবে। এখন ভালো করছি। সামনেও ভালো করবো, সেটাও নিশ্চিত হতে হবে।’
বিশ্বকাপের চারটি ইনংসের দুটিতে সেঞ্চুরি ও দুটিতে হাফসেঞ্চুরি করে এখন বিশ্বকাপে সর্বে্চ্চা রান সংগ্রাহকও সাকিব। নিজের এই দুর্দান্ত পারফরমেন্স ধরে রাখতে বদ্ধ পরিকর বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। নিজের পারফরমেন্স বিষয়ে সাকিব বলেন, সব মিলিয়ে আছি ভালো অবস্থানে। সেটা ধরে রাখার চেষ্টা করবো। আসলে একটা ব্যাটসম্যান যখন ধারাবাহিক ব্যাটিং করতে থাকে, তখন বল ভালোভাবেই দেখতে পারে। এখন সময় ভালো যাচ্ছে। ধারাবাহিক থাকলে সব সময়ই রান করা যায়। আমি এখন সর্বোচ্চটা করার চেষ্টা করবো। তবে ভালো অবস্থানে থেকেও অনেক সময় বেশি রান করা সম্ভব হয় না।’
ম্যাচ জয়ের জন্য শুধুমাত্র মাঠের পারফরমেন্সই যথেষ্ট নয়, মানসিকভাবে শক্ত অবস্থানে থাকাটাও খুব বেশি জরুরি বলে মনে করেন সাকিব। তিনি বলেন, ‘মাইন্ড সেট খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে যত বেশি শক্ত ও সাহস রাখা যায় ততো ভালো। নিজ থেকে যদি মনে করেন জিততে পারবেন না, তাহলে জিততে পারবেন না। যখন মন থেকে চাইবেন যে জেতা সম্ভব, আমি জিততে চাই তাহলে দেখবেন জিতবেন। হয়তো সব সময় হবে না। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই হবে।