বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের এখন সোনালী অধ্যায় : রিভা গাঙ্গুলি দাশ

‘দুই প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতায় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এখন সোনালী অধ্যায় অতিক্রম করছে’ বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাশ। সোমবার চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই) আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
চট্টগ্রামের ঐতিহ্য সুপ্রাচীন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ভাষা, কৃষ্টি ও ম্যান টু ম্যান যোগাযোগ দুই দেশের সম্পর্ক দৃঢ় করছে। মাস্টারদা সূর্য সেনসহ অনেক বিপ্লবী চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেছেন। এটি গৌরবের।’ রিভা গাঙ্গুলি দাশ বলেন, ‘এ দেশে ভারতের অনেক শিল্পকারখানা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান এ দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখছে। মংলা ও মীরসরাই ইকোনমিক জোনেও ভারতের আলাদা জোন রয়েছে।’ তিনি বাংলাদেশের জিডিপি ক্রমবর্ধমান প্রবৃদ্ধির প্রশংসা করেন।
চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, ‘একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে অকৃত্রিম বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়েছিল ভারত। ভারত আমাদের বন্ধুরাষ্ট্র। ভারতের সেভেন সিস্টার রাজ্যগুলোর সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে সড়ক, নৌ, রেলপথের কানেক্টিভিটি বাড়াতে হবে।’ তিনি ভারত-বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে বড় ঘাটতি কমানোর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।
‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল’ উল্লেখ করে চেম্বার সভাপতি বলেন, ‘সরকার ১০০টি ইকোনমিক জোন করছে। মীরসরাইয়ে হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর। যেখানে ওয়ান স্টপ সার্ভিস পাবেন বিনিয়োগকারীরা। ভারতের ব্যবসায়ীরা এখানে শিল্পকারখানা গড়ে তুলতে পারবেন।’
এছাড়া সভায় কয়েকজন ব্যবসায়ী নেতা ভারত বাংলাদেশের নন ট্যারিফ ব্যারিয়ার, ট্রানজিট কার্গো মুভমেন্ট, কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস কমানোসহ বিভিন্ন বিষয়ে হাইকমিশনারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
মতবিনিময়সভায় উপস্থিত ছিলেন ভারতের সহকারী হাইকমিশনার অনিন্দ্য ব্যানার্জি, দৈনিক পূর্বকোণের পরিচালনা সম্পাদক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, দৈনিক সুপ্রভাত বাংলাদেশ সম্পাদক রুশো মাহমুদ, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কমিশনার এম ফখরুল আলম, জাপানের অনারারি কনসাল মো. নুরুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলী হোসেন আকবর আলীসহ অন্যরা।