ভারত সাতে সাত পাকিস্তান শূন্য

বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের আরো একটি হার। এ নিয়ে বিশ্বকাপে ভারতের কাছে ৭ বার ধরাশায়ী হলো পাকিস্তান ক্রিকেট দল। বিষয়টা এরকমই দাঁড়িয়েছে যে, বিশ্বকাপে এ দুটি দল লড়বে আর পাকিস্তান হারবে না, তা যেন হওয়ার মতো না। গত রবিবার বৃষ্টিস্নাত ম্যাচে ভারতের কাছে ৮৯ রানে হেরেছে পাকিস্তান।
ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে রবিবারের ম্যাচে বৃষ্টি কয়েক দফা বাগড়া দিলেও ঠিকভাবেই চলছিল ম্যাচ। কিন্তু পাকিস্তানের ব্যাটিং ইনিংসের ৩৫তম ওভারে ফের বেরসিক বৃষ্টির আগমনে ম্যাচের ওভার কমিয়ে ৪০-এ আনা হয়। ৩৫ ওভার শেষেই তখন ৬ উইকেট হারিয়ে কাঁপতে থাকা পাকিস্তানের সংগ্রহ ১৬৬ রান। ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে শেষ ৫ ওভারে পাকিস্তানের তাই দরকার ছিল ১৩৬ রান। পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছিল জাদুটোনা করেও পাকিস্তানের পক্ষে এ রান হাসিল করা সম্ভবপর নয়। উইকেটে থাকা ইমাদ ওয়াসিম ও সাদাব খানও তা করে দেখাতে পারেনি। নির্ধারিত ওভার শেষে পাকিস্তানের রানের চাকা থামে ২১২ রানে। ইমাদ ওয়াসিম ৪৬ ও সাদাব খান ২০ রানে অপরাজিত থাকেন। এর আগে, দ্বিতীয় উইকেটে ওপেনার ফখর জামান ও বাবর আজমের ১০৪ রানের জুটিতে ভারতের ছুঁড়ে দেয়া ৩৩৭ রানের জয়ের লক্ষ্য পাকিস্তানের জন্য সহজই মনে হচ্ছিল। তবে কুলদীপ যাদব এ জুটি ভাঙার পরই যেন মড়ক লাগে পাকিস্তানের ইনিংসে। মাত্র ১২ রান তুলতেই মিডল অর্ডারের ৪ উইকেট হারিয়ে বসে তারা। বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা বিজয় শঙ্করের প্রথম বলেই ইমাম- উল-হক লেগ বিফোরের ফাঁদে পা দিলে ১৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় পাকিস্তান। শুরুর সেই চাপ পাকরা কাটিয়ে উঠে বাবর আজম ও ফখর জামানের জুটি।
দুজনেই দারুণ খেলছিলেন ভারতীয় বোলারদের। এর মধ্যে, ক্যারিয়ারের ১০তম ফিফটিও তুলে নেন ওপেনার ফখর। কিন্তু ৪৮ রান করা বাবরকে কুলদ্বীপ তার স্পিনে বোকা বানিয়ে বোল্ড করলে ফের ম্যাচে ফেরে ভারত। এরপরের গল্পটুকু শুধুই পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার। একে একে উইকেটে এসে বিদায় নেন মোহাম্মদ হাফিজ, শোয়েব মালিকরা। তাদের আগে ৬২ রান করে কুলদীপের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন ফখর। পরপর দুই বলে হাফিজ (৯ রান) ও মালিককে (০ রান) ফেরান অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া। আর সরফরাজ ব্যক্তিগত ১২ রানে বিজয় শঙ্করের বলে বোল্ড হন।