শিবগঞ্জে জমে উঠছে ঈদের বাজার, ‘সারারা’ নজর কাড়ছে তরুণীদের

পবিত্র ঈদুল ফিতর আসতে মাত্র ৯/১০ দিন রয়েছে। খুশির ঈদ পবিত্র ঈদুল ফিতর। আর তাই এ ঈদকে ঘিরে শেষ মুহূর্তে শিবগঞ্জের মার্কেটগুলো ক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠছে। শপিংমল আর বিপণি বিতানগুলোয় ভিড় করছেন নিজেদের ও প্রিয়জনদের পছন্দের পোশাক কিনতে। ক্রেতাদের পদচারণায় জমে উঠেছে শিবগঞ্জের ঈদের বাজার।

শিবগঞ্জের কেয়া শপিং সেন্টারসহ বিভিন্ন মার্কেটের দোকানগুলোতে ঈদ উপলক্ষে রয়েছে আকর্ষণীয় ও উচ্চমূল্যের পোশাকের সমাহার। এসব দোকানে পণ্যের ব্র্যান্ডের গুরুত্বই অনেক বেশি। ক্রেতাদের মনোযোগ আকর্ষণে অনেক মার্কেটেই আলোকসজ্জা করা হয়েছে। সন্ধ্যার পরে মার্কেটগুলোতে আলোর ঝিলিকের সাথে ক্রেতাদের উপস্থিতিও বাড়ছে।

এবারের ঈদকে সামনে রেখে শিবগঞ্জের বিপণি বিতানগুলোতে তরুণীদের পোশাকে নজর কেড়েছে। নামটাও বাহারি। আর পাখি নয়, এবার ‘সারারা’। শিবগঞ্জের কেয়া শপিং সেন্টারের জিম ফ্যাশনের মালিক জানান, ঈদকে ঘিরে এবার মেয়েদের বিভিন্ন ধরনের আইটেম কালেকশনে আছে। গাউন, জিপসি, সানিয়া মির্জা, সারারা, নামক পোশাক খুব চলছে। ভারতের নাম হলেও এসব পোশাক বাংলাদেশেই তৈরি হচ্ছে। ১৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫ হাজার টাকার ভেতর এসব পোশাক বিক্রি হচ্ছে।
অপরদিকে সুপার মার্কেটের আলাউদ্দিন ফ্রেবিক্সের মালিক আলাউদ্দিন হোসেন জানান, ঈদকে ঘিরে এবার মেয়েদের বিভিন্ন ধরনের আইটেম আমাদের কালেকশনে আছে। গাউন, জিপসি পোশাক খুব চলছে। দাম ১৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৪ হাজার টাকার ভেতর।
মার্কেটগুলো ঘুরে দেখা যায়, সকাল ৯টা থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকা থেকে সব বয়সী নারী-পুরুষ ও শিশু ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় রয়েছে মার্কেটগুলোতে। এবার পুরুষ ক্রেতাদের তুলায় নারী ক্রেতাদের ভিড় বেশি। ক্রেতারা বিপণি বিতানগুলোতে নতুন নতুন ডিজাইনের পোশাক খুঁজছেন। দোকানিরা ক্রেতাদের আকৃৃষ্ট করতে উঠিয়েছেন বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পোশাক।
শিশুদের জন্য রয়েছে বাহারি রঙের পোশাক। এবারের ঈদে এসেছে মহিলাদের জামদানিসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শাড়ি। দাম বেশি হলেও ক্রেতাদের পছন্দ সেদিকেই। এছাড়াও রয়েছে ইন্ডিয়ান শাড়ি। ছেলেদের পছন্দের তালিকায় বেশি বিক্রি হচ্ছে দেশীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ডিজাইনের শার্ট এবং বাহারি ডিজাইনের জিন্স প্যান্ট ও রঙিন নকশা পাঞ্জাবি। অপরদিকে কসমেটিকস, সিটি গোল্ড হাউসগুলোতে ভিড় জমে উঠছে।
এছাড়াও ঈদকে সামনে রেখে নিত্যনতুন ডিজাইনের জুতা বাজারে এসেছে। সাধারণ মানুষের চাহিদা মেটাতে এখানে কম দামের এবং বেশি দামের জুতা রাখা হয়েছে। এদিকে নামীদামি জুতার শোরুমগুলোয়ও নতুন ডিজাইনের জুতার পসরা বসেছে। অন্যদিকে ফুটপাতের দোকান এবার তেমন না থাকলেও যে ক’টা রয়েছে তাতে ক্রেতাদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ করা গেছে।